দুর্গাপূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে: সিলেটের জেলা প্রশাসক
- আপডেট সময় : ০৪:০০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৫৩০ বার পড়া হয়েছে
সিলেটে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিটি পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো সমস্যা হলে বিকল্প হিসেবে জেনারেটরের ব্যবস্থা রাখারও নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রতিটি মণ্ডপে পূজা উদযাপন কমিটি, আনসার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট করতে হবে। দর্শনার্থী ও স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যানবাহন পার্কিংয়ের যথাযথ ব্যবস্থাও করতে হবে। একই সঙ্গে এমন কোনো আতশবাজি বা কার্যক্রম করা যাবে না, যাতে মানুষের মধ্যে বিরক্তি বা উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সতর্ক করে জেলা প্রশাসক বলেন, পূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের গুজব ছড়ালে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য বা ছবি প্রকাশের আগে সত্যতা যাচাই করতে হবে। কেউ গুজবের ঘটনায় নিজের হাতে আইন তুলে নিতে পারবেন না।
প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি স্থাপনের পাশাপাশি দায়িত্ব পালনের তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডিউটি রেজিস্টার যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দেন তিনি।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন, প্রতিটি উপজেলায় পূজা উদযাপন ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি সমন্বয়ের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করা হবে। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হবে। প্রয়োজনে বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বয়ে উপজেলা পর্যায়ে ভিজিল্যান্স টিম গঠনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।
তিনি পূজা উদযাপন কমিটি, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।
বিসর্জনের সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, সিলেট মহানগর এলাকায় রাত ৯টার মধ্যে এবং জেলার অন্যান্য এলাকায় সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিসর্জন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



























