সংবাদ শিরোনাম ::
কুমিল্লা নগরীর ভাটপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেবিদ্বারের ভাইরাল ঘটনায় নতুন মোড়, পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর দাবি প্রবাসী স্বামীর দেবিদ্বারের ভাইরাল ঘটনায় নতুন মোড়, পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানোর দাবি প্রবাসী স্বামীর এতবারপুরে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ফারুক আহমেদ স্থায়ী চাকরির দাবিতে এলএসপিদের অবস্থান কর্মসূচি, রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্তির দাবি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই: ইয়ারুল ইসলাম ৪৭তম বিসিএসে যোগ্য প্রার্থীর সংকট, ফাঁকা রইল ২ হাজার ১৬৭টি ক্যাডার পদ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন সভাপতি শিবা শানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় লড়াইয়ে কেপ ভার্দেকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা রাজধানীর খাজা মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই: ইয়ারুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:২৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬ ৮৩ বার পড়া হয়েছে

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই: ইয়ারুল ইসলাম

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো একক ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই। বিভিন্ন ব্যক্তি বা মহলের নিজেদেরকে ওই আন্দোলনের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে দাবি করার প্রবণতাকে তিনি ইতিহাস বিকৃতির শামিল বলে মন্তব্য করেছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে, সবই সৃষ্টিকর্তার পূর্বনির্ধারিত মহাপরিকল্পনার অংশ। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানও সেই মহাপরিকল্পনারই একটি অংশ।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজেদেরকে জুলাই-আগস্টের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বা ‘মাস্টার মাইন্ড’ হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের দাবি ইতিহাসের প্রকৃত চিত্রকে বিকৃত করে।

 

 

তিনি আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দাবি করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, অতীতে যেমন মহান মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ছিল, তেমনি এখন একটি মহল চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের একার বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে, যা ইতিহাসের সঙ্গে সুবিচার নয়।
বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিবের দাবি, সময়ের প্রয়োজন, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রেক্ষাপটেই জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে।

 

এতে দেশের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল এবং এটিকে কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের কৃতিত্ব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তেমনি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানেও বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ, পেশাজীবী এবং সাধারণ জনগণ একসঙ্গে রাজপথে নেমেছিলেন।

ইয়ারুল ইসলাম দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের বাইরে দেশের অধিকাংশ মানুষ গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে অসংখ্য পরিবার বিভিন্নভাবে সংহতি প্রকাশ ও সহযোগিতা করেছে। তাদের এই অবদান কখনোই অস্বীকার করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

সবশেষে তিনি বলেন, ইতিহাসকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং জাতির সম্মিলিত সংগ্রামের দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে এবং জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।

 

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই: ইয়ারুল ইসলাম

আপডেট সময় : ১০:২৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই: ইয়ারুল ইসলাম

বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের কোনো একক ‘মাস্টার মাইন্ড’ নেই। বিভিন্ন ব্যক্তি বা মহলের নিজেদেরকে ওই আন্দোলনের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে দাবি করার প্রবণতাকে তিনি ইতিহাস বিকৃতির শামিল বলে মন্তব্য করেছেন।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পৃথিবীতে যা কিছু ঘটে, সবই সৃষ্টিকর্তার পূর্বনির্ধারিত মহাপরিকল্পনার অংশ। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানও সেই মহাপরিকল্পনারই একটি অংশ।

ইয়ারুল ইসলাম বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও গোষ্ঠী নিজেদেরকে জুলাই-আগস্টের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী বা ‘মাস্টার মাইন্ড’ হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছেন। তাঁর মতে, এ ধরনের দাবি ইতিহাসের প্রকৃত চিত্রকে বিকৃত করে।

 

 

তিনি আরও বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব দাবি করে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, অতীতে যেমন মহান মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক ছিল, তেমনি এখন একটি মহল চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের কৃতিত্ব নিজেদের একার বলে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে, যা ইতিহাসের সঙ্গে সুবিচার নয়।
বাংলাদেশ কংগ্রেসের মহাসচিবের দাবি, সময়ের প্রয়োজন, রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রেক্ষাপটেই জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে।

 

এতে দেশের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল এবং এটিকে কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের কৃতিত্ব হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তেমনি চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানেও বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ, শিক্ষার্থী, তরুণ, পেশাজীবী এবং সাধারণ জনগণ একসঙ্গে রাজপথে নেমেছিলেন।

ইয়ারুল ইসলাম দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগীদের বাইরে দেশের অধিকাংশ মানুষ গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে অসংখ্য পরিবার বিভিন্নভাবে সংহতি প্রকাশ ও সহযোগিতা করেছে। তাদের এই অবদান কখনোই অস্বীকার করা যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

সবশেষে তিনি বলেন, ইতিহাসকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, বরং জাতির সম্মিলিত সংগ্রামের দলিল হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারবে এবং জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় হবে।