সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়তে TFGBV প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষার দাবি মোংলার নিখোঁজ জেলে মিরাজ শেখের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন গ্রামীণফোনের শ্রমিকদের ৫% বিলম্বজনিত পাওনার  দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অর্থমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানিসহ সব কার্যক্রম বন্ধ যশোরের শার্শার উলাশী জিয়া খাল পুনঃখননে এখন প্রবাহমান কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, জাকির সাংগঠনিক সম্পাদক কুমিল্লায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ডায়মন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজকে লাখ টাকা জরিমানা তালাশ টিমের সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে ডা. এস এম সরওয়ারের সংবাদ সম্মেলন তালাশ টিমের সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে ডা. এস এম সরওয়ারের সংবাদ সম্মেলন চান্দিনায় গাছ চুরির তদন্তে মূল অভিযুক্তকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়তে TFGBV প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি-নির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (TFGBV) প্রতিরোধে শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা, ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা এবং দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম (ম্যাফ), ঢাকা।

 

রোববার (২৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অনলাইন যৌন হয়রানি, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, ডিপফেক, সেক্সটরশন, সাইবারস্টকিং, ডক্সিং এবং দলবদ্ধ অনলাইন হয়রানির মতো ঘটনা নারীর নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।
ম্যাফের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার কারণে অনেক নারী অনলাইনে মতপ্রকাশ, সামাজিক কর্মকাণ্ড এমনকি রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশগ্রহণ থেকেও পিছিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন ও বাস্তবায়ন জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ম্যাফ ঢাকা সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ পর্যালোচনা করে TFGBV প্রতিরোধে একটি বিস্তারিত সুপারিশমালা তৈরি করেছে। আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

সংগঠনটির দাবি, সুপারিশ প্রণয়নের সময় বাংলাদেশের বাস্তবতা, ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা, তাদের সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও জেন্ডার সমতার মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
ম্যাফের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের সুপারিশগুলো ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব সুপারিশ নীতিনির্ধারক ও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
সহিংসতার চিত্র উদ্বেগজনক
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (UNFPA) ‘নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০২৪’ অনুযায়ী, প্রযুক্তি ব্যবহারকারী নারীদের ৮ শতাংশ জীবদ্দশায় প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে এ হার ১৬ শতাংশ, যা বয়সভিত্তিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
এ ছাড়া পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন (PCSW)-এর তথ্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০ হাজার ৮০৮ জন নারী সাইবার অপরাধের ঘটনায় সহায়তা চেয়েছেন। তাদের কাছে আসা অভিযোগের মধ্যে ৪১ শতাংশ ডক্সিং-সংক্রান্ত।
ম্যাফের মতে, এসব পরিসংখ্যান প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ব্যাপকতা ও গুরুত্ব স্পষ্ট করে। তাই শুধু অপরাধ সংঘটনের পর শাস্তির ব্যবস্থা নয়, একই সঙ্গে প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা, দ্রুত সহায়তা এবং কার্যকর ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার মানুষের জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি নতুন ধরনের সহিংসতার ঝুঁকিও তৈরি করেছে। বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ, ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে প্রচার, ভুয়া কনটেন্ট তৈরি এবং অনলাইন হয়রানি তাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে।
এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনকে সময়োপযোগী করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং গণমাধ্যমের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ম্যাফের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার, নীতিনির্ধারক, আইন বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা এবং দ্রুত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, TFGBV-সংক্রান্ত ঘটনা প্রকাশের সময় ভুক্তভোগীর পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। যাচাই না করা ছবি, ভিডিও বা তথ্য প্রচার না করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

ম্যাফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের লক্ষ্য শুধু নতুন আইন প্রণয়ন বা শাস্তির ব্যবস্থা নয়; বরং প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা, দ্রুত সহায়তা, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহি—সবগুলো বিষয়কে সমন্বিতভাবে নিশ্চিত করা। এ জন্য সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন ও কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

 

নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়তে TFGBV প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষার দাবি

আপডেট সময় : ১০:৫১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

প্রযুক্তি-নির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা (TFGBV) প্রতিরোধে শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা, ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা এবং দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরাম (ম্যাফ), ঢাকা।

 

রোববার (২৪ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অনলাইন যৌন হয়রানি, অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, ডিপফেক, সেক্সটরশন, সাইবারস্টকিং, ডক্সিং এবং দলবদ্ধ অনলাইন হয়রানির মতো ঘটনা নারীর নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।
ম্যাফের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার কারণে অনেক নারী অনলাইনে মতপ্রকাশ, সামাজিক কর্মকাণ্ড এমনকি রাজনৈতিক ও নাগরিক অংশগ্রহণ থেকেও পিছিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে কার্যকর আইন ও বাস্তবায়ন জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ম্যাফ ঢাকা সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ পর্যালোচনা করে TFGBV প্রতিরোধে একটি বিস্তারিত সুপারিশমালা তৈরি করেছে। আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো পর্যালোচনার মাধ্যমে কোথায় ঘাটতি রয়েছে এবং কী ধরনের পরিবর্তন প্রয়োজন তা চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

সংগঠনটির দাবি, সুপারিশ প্রণয়নের সময় বাংলাদেশের বাস্তবতা, ভুক্তভোগীদের অভিজ্ঞতা, তাদের সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও জেন্ডার সমতার মানদণ্ড বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
ম্যাফের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের সুপারিশগুলো ইতোমধ্যে সরকারের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব সুপারিশ নীতিনির্ধারক ও সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।
সহিংসতার চিত্র উদ্বেগজনক
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (UNFPA) ‘নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০২৪’ অনুযায়ী, প্রযুক্তি ব্যবহারকারী নারীদের ৮ শতাংশ জীবদ্দশায় প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন। ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে এ হার ১৬ শতাংশ, যা বয়সভিত্তিক গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
এ ছাড়া পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন (PCSW)-এর তথ্য তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬০ হাজার ৮০৮ জন নারী সাইবার অপরাধের ঘটনায় সহায়তা চেয়েছেন। তাদের কাছে আসা অভিযোগের মধ্যে ৪১ শতাংশ ডক্সিং-সংক্রান্ত।
ম্যাফের মতে, এসব পরিসংখ্যান প্রযুক্তিনির্ভর জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ব্যাপকতা ও গুরুত্ব স্পষ্ট করে। তাই শুধু অপরাধ সংঘটনের পর শাস্তির ব্যবস্থা নয়, একই সঙ্গে প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা, দ্রুত সহায়তা এবং কার্যকর ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার মানুষের জীবনকে সহজ করার পাশাপাশি নতুন ধরনের সহিংসতার ঝুঁকিও তৈরি করেছে। বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ, ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে প্রচার, ভুয়া কনটেন্ট তৈরি এবং অনলাইন হয়রানি তাদের সামাজিক ও ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে।
এ ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে আইনকে সময়োপযোগী করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং গণমাধ্যমের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ম্যাফের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার, নীতিনির্ধারক, আইন বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা এবং দ্রুত আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, TFGBV-সংক্রান্ত ঘটনা প্রকাশের সময় ভুক্তভোগীর পরিচয় ও ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হবে। যাচাই না করা ছবি, ভিডিও বা তথ্য প্রচার না করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

ম্যাফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের লক্ষ্য শুধু নতুন আইন প্রণয়ন বা শাস্তির ব্যবস্থা নয়; বরং প্রতিরোধ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা, দ্রুত সহায়তা, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহি—সবগুলো বিষয়কে সমন্বিতভাবে নিশ্চিত করা। এ জন্য সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এ প্রয়োজনীয় সংশোধন ও কার্যকর বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।