সংবাদ শিরোনাম ::
নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়তে TFGBV প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষার দাবি মোংলার নিখোঁজ জেলে মিরাজ শেখের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন গ্রামীণফোনের শ্রমিকদের ৫% বিলম্বজনিত পাওনার  দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অর্থমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানিসহ সব কার্যক্রম বন্ধ যশোরের শার্শার উলাশী জিয়া খাল পুনঃখননে এখন প্রবাহমান কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, জাকির সাংগঠনিক সম্পাদক কুমিল্লায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ডায়মন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজকে লাখ টাকা জরিমানা তালাশ টিমের সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে ডা. এস এম সরওয়ারের সংবাদ সম্মেলন তালাশ টিমের সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে ডা. এস এম সরওয়ারের সংবাদ সম্মেলন চান্দিনায় গাছ চুরির তদন্তে মূল অভিযুক্তকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

মোংলার নিখোঁজ জেলে মিরাজ শেখের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার জেলে ও মোটরসাইকেলচালক মিরাজ শেখের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১০ এপ্রিল সন্ধ্যায় সাদা পোশাকে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা মিরাজকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

তবে কোস্ট গার্ড কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই তাকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

 

সোমবার (২৪ আগস্ট) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে জয়মনি ঠোটার আল আমিনের চায়ের দোকান থেকে দুইজন সাদা পোশাকধারী কোস্ট গার্ড সদস্য মিরাজ শেখকে প্রায় ১০০-১৫০ গজ দূরে অবস্থিত কোস্ট গার্ডের পন্টুনে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মান্নানের জালি বোটে তোলা হয়।
পরবর্তীতে মোংলা দিক থেকে একটি কোস্ট গার্ডের স্পিডবোট সেখানে আসে। এতে ৭-৮ জন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তারা পন্টুনে উঠে মিরাজের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে চলে যান। ঘটনাটি স্থানীয় গ্রামবাসী ও মিরাজের স্ত্রীর সামনেই ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, মিরাজের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি কোস্ট গার্ড সদস্যরা স্থানীয় চায়ের দোকানি আল আমিনের জিম্মায় রেখে যান। মোটরসাইকেলের চাবি মিরাজের কাছেই ছিল। প্রায় ১১ দিন পর গভীর রাতে মিজান মাঝিসহ দুই কোস্ট গার্ড সদস্য পন্টুন থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যান। তাদের একজনের নাম রবিন বলে পরিবার জানতে পেরেছে বলে জানানো হয়।
পরিবারের দাবি, ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল পন্টুনে থাকা কোস্ট গার্ডের একজন সদস্যের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়। ওই সদস্য মিরাজ কোস্ট গার্ডের হেফাজতে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন এবং ২-৩ দিনের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে অথবা তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
১১ এপ্রিল সকালে মিরাজের স্ত্রী দিগরাজ কোস্ট গার্ড বেইজে গেলে উকাসিং নামে এক সদস্য তাকে জানান, মিরাজকে নিয়ে অপারেশনে যাওয়া হবে এবং বিকেল ৪টায় এলে দেখা করতে দেওয়া হবে। এ সময় ভেতর থেকে অন্য এক সদস্য মিরাজকে কিছু খেতে দেওয়ার কথা বলেন এবং জানান, সে আগের দিন থেকে না খেয়ে আছে। তবে বিকেল ৪টায় গেলে শাহীন নামে এক সদস্য মিরাজকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন বলে পরিবারের অভিযোগ।
এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর-১১৮৪) করা হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে কোস্ট গার্ড কার্যালয়ে যোগাযোগ, সংবাদ সম্মেলন এবং উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ১২ জুলাই ২০২৬ কোস্ট গার্ডকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নিখোঁজ মিরাজ শেখকে খুঁজে বের করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও মিরাজের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে মিরাজের সন্ধানের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ব্যানার-ফেস্টুন কেড়ে নেওয়া এবং পাঁচজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করার অভিযোগও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে মিরাজকে ফিরিয়ে দেওয়া ও কোস্ট গার্ড পন্টুনের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের দাবিতে পরিবার ও স্থানীয় গ্রামবাসী পন্টুনে গেলে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে বলেও অভিযোগ করা হয়। এতে কয়েকজন গ্রামবাসী আহত হন এবং মিরাজের মা, বোন ও স্ত্রীকে আটক করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।
এ ঘটনায় মিরাজের পরিবারসহ ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি ও ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মিরাজ শেখকে অবিলম্বে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় খুঁজে বের করে আদালতে হাজির করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে মিরাজের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রচলিত আইনে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আহ্বান জানানো হয়।
তারা আরও দাবি করেন, মিরাজকে আটকের ঘটনায় জড়িত কোস্ট গার্ডের সদস্যদের বিরুদ্ধে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকার সংগঠনটি দাবি করে, তাদের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কোস্ট গার্ডের হেফাজতে নেওয়ার অভিযোগ থাকা মিরাজ শেখের ঘটনাটি বাংলাদেশে গুমের অভিযোগসংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মিরাজের সাত বছরের সন্তানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তার পরিবার দ্রুত মিরাজকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানায়। তারা আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে মিরাজ শেখকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেবে।

 

 

মোংলার নিখোঁজ জেলে মিরাজ শেখের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ১০:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার জেলে ও মোটরসাইকেলচালক মিরাজ শেখের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি। পরিবারের অভিযোগ, গত ১০ এপ্রিল সন্ধ্যায় সাদা পোশাকে কোস্ট গার্ডের সদস্যরা মিরাজকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

তবে কোস্ট গার্ড কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই তাকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

 

সোমবার (২৪ আগস্ট) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে জয়মনি ঠোটার আল আমিনের চায়ের দোকান থেকে দুইজন সাদা পোশাকধারী কোস্ট গার্ড সদস্য মিরাজ শেখকে প্রায় ১০০-১৫০ গজ দূরে অবস্থিত কোস্ট গার্ডের পন্টুনে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মান্নানের জালি বোটে তোলা হয়।
পরবর্তীতে মোংলা দিক থেকে একটি কোস্ট গার্ডের স্পিডবোট সেখানে আসে। এতে ৭-৮ জন ইউনিফর্ম পরিহিত সদস্য ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। তারা পন্টুনে উঠে মিরাজের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন এবং পরে তাকে সঙ্গে নিয়ে চলে যান। ঘটনাটি স্থানীয় গ্রামবাসী ও মিরাজের স্ত্রীর সামনেই ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, মিরাজের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি কোস্ট গার্ড সদস্যরা স্থানীয় চায়ের দোকানি আল আমিনের জিম্মায় রেখে যান। মোটরসাইকেলের চাবি মিরাজের কাছেই ছিল। প্রায় ১১ দিন পর গভীর রাতে মিজান মাঝিসহ দুই কোস্ট গার্ড সদস্য পন্টুন থেকে বের হয়ে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যান। তাদের একজনের নাম রবিন বলে পরিবার জানতে পেরেছে বলে জানানো হয়।
পরিবারের দাবি, ১০, ১১ ও ১২ এপ্রিল পন্টুনে থাকা কোস্ট গার্ডের একজন সদস্যের সঙ্গে একাধিকবার কথা হয়। ওই সদস্য মিরাজ কোস্ট গার্ডের হেফাজতে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন এবং ২-৩ দিনের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে অথবা তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
১১ এপ্রিল সকালে মিরাজের স্ত্রী দিগরাজ কোস্ট গার্ড বেইজে গেলে উকাসিং নামে এক সদস্য তাকে জানান, মিরাজকে নিয়ে অপারেশনে যাওয়া হবে এবং বিকেল ৪টায় এলে দেখা করতে দেওয়া হবে। এ সময় ভেতর থেকে অন্য এক সদস্য মিরাজকে কিছু খেতে দেওয়ার কথা বলেন এবং জানান, সে আগের দিন থেকে না খেয়ে আছে। তবে বিকেল ৪টায় গেলে শাহীন নামে এক সদস্য মিরাজকে আটকের বিষয়টি অস্বীকার করেন বলে পরিবারের অভিযোগ।
এ ঘটনায় ২৩ এপ্রিল মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি নম্বর-১১৮৪) করা হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে কোস্ট গার্ড কার্যালয়ে যোগাযোগ, সংবাদ সম্মেলন এবং উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট গত ১২ জুলাই ২০২৬ কোস্ট গার্ডকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নিখোঁজ মিরাজ শেখকে খুঁজে বের করে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও মিরাজের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।
এদিকে মিরাজের সন্ধানের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, ব্যানার-ফেস্টুন কেড়ে নেওয়া এবং পাঁচজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করার অভিযোগও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। পরবর্তীতে মিরাজকে ফিরিয়ে দেওয়া ও কোস্ট গার্ড পন্টুনের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের দাবিতে পরিবার ও স্থানীয় গ্রামবাসী পন্টুনে গেলে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে বলেও অভিযোগ করা হয়। এতে কয়েকজন গ্রামবাসী আহত হন এবং মিরাজের মা, বোন ও স্ত্রীকে আটক করা হয়েছিল বলে জানানো হয়।
এ ঘটনায় মিরাজের পরিবারসহ ৪৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি ও ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মিরাজ শেখকে অবিলম্বে জীবিত ও সুস্থ অবস্থায় খুঁজে বের করে আদালতে হাজির করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে মিরাজের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে প্রচলিত আইনে তাকে আদালতে সোপর্দ করার আহ্বান জানানো হয়।
তারা আরও দাবি করেন, মিরাজকে আটকের ঘটনায় জড়িত কোস্ট গার্ডের সদস্যদের বিরুদ্ধে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মানবাধিকার সংগঠনটি দাবি করে, তাদের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর কোস্ট গার্ডের হেফাজতে নেওয়ার অভিযোগ থাকা মিরাজ শেখের ঘটনাটি বাংলাদেশে গুমের অভিযোগসংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে মিরাজের সাত বছরের সন্তানের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তার পরিবার দ্রুত মিরাজকে ফিরে পাওয়ার আকুতি জানায়। তারা আশা প্রকাশ করেন, রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে মিরাজ শেখকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেবে।