সংবাদ শিরোনাম ::
মহাপরিচালকের ৩ উদ্যোগে দেবিদ্বারের ভিডিপির অভিনন্দন তনু হত্যা মামলায় গ্রেফতার একমাত্র আসামি জামিনে মুক্ত দেবিদ্বারে ঝটিকা মিছিলের মামলা, প্রবাসীসহ ২৩ জন আসামি মাগুরায় এক নার্সের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে ও প্রতারণার অভিযোগ, তদন্তের দাবি একটি গাছ, একটি প্রাণ স্লোগানে আড়াইহাজারে সুরক্ষার বৃক্ষরোপণ ও সেমিনার সুইপার কলোনি উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন চান হরিজনরা গ্রামীণফোন শ্রমিকদের ১৬ বছরের আইনগত পাওনা পরিশোধের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ লিড লিভিং ইকোনমি অব এগ্রো প্রসেস ডেভেলপমেন্ট লিঃ-এর উদ্যোগে বড়ুরায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফার গেজেটভুক্তি ও রাষ্ট্রীয় সম্মানের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি গাজীপুরে লিথি গ্রুপের পাঁচটি কারখানা বন্ধ, কর্মহীন প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক

জলাবদ্ধতা নিরসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ১১ দফা প্রস্তাবও ঘোষণা করা হয়।

 

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কংগ্রেস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক নুরুল আমীন শাহীন। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম।

 

এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান কে এম আবু হানিফ হৃদয়, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. তুষার রহমান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা বাচ্চু, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. মনির হোসেন, যুগ্ম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. কাজল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বাবুল, চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদসহ দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। জলাবদ্ধতার কারণে তীব্র যানজট, দুর্ঘটনা, ব্যবসায়িক ক্ষয়ক্ষতি এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। একই সঙ্গে জমে থাকা পানির কারণে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

 

তারা আরও বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল ও জলাধার দখল-ভরাট, অকার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিয়মিত ড্রেন ও নর্দমা পরিষ্কার না করা, ড্রেনে বর্জ্য ও পলিথিন ফেলা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণেই জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা বলেন, “জলাবদ্ধতা কোনো প্রাকৃতিক নিয়তি নয়; এটি পরিকল্পনার অভাব, অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার ফল। জনগণের করের অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপদ চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা।”

 

মানববন্ধন থেকে বাংলাদেশ কংগ্রেস জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ, বিজ্ঞানভিত্তিক ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন, খাল ও জলাধার দখলমুক্ত করা, বর্ষা শুরুর আগেই ড্রেন পরিষ্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, ড্রেনে আবর্জনা ফেলা বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ, সিটি করপোরেশন-ওয়াসা-রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত শহর গড়ে তোলাসহ ১১ দফা প্রস্তাব ঘোষণা করে।

 

কর্মসূচির শেষে সরকার, সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত ও জলাবদ্ধতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

 

জলাবদ্ধতা নিরসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৬:৫৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ কংগ্রেস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি থেকে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ১১ দফা প্রস্তাবও ঘোষণা করা হয়।

 

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কংগ্রেস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক নুরুল আমীন শাহীন। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের মহাসচিব অ্যাডভোকেট মো. ইয়ারুল ইসলাম।

 

এ সময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির চেয়ারম্যান কে এম আবু হানিফ হৃদয়, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. তুষার রহমান, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা বাচ্চু, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী শরিফুল ইসলাম, যুগ্ম যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. মনির হোসেন, যুগ্ম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. কাজল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বাবুল, চট্টগ্রাম জেলা কংগ্রেসের আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদসহ দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

বক্তারা বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েন। জলাবদ্ধতার কারণে তীব্র যানজট, দুর্ঘটনা, ব্যবসায়িক ক্ষয়ক্ষতি এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। একই সঙ্গে জমে থাকা পানির কারণে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

 

তারা আরও বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল ও জলাধার দখল-ভরাট, অকার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, নিয়মিত ড্রেন ও নর্দমা পরিষ্কার না করা, ড্রেনে বর্জ্য ও পলিথিন ফেলা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতার কারণেই জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিনের জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা বলেন, “জলাবদ্ধতা কোনো প্রাকৃতিক নিয়তি নয়; এটি পরিকল্পনার অভাব, অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার ফল। জনগণের করের অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রের দায়িত্ব নাগরিকদের নিরাপদ চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা।”

 

মানববন্ধন থেকে বাংলাদেশ কংগ্রেস জলাবদ্ধতা নিরসনে জরুরি জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ, বিজ্ঞানভিত্তিক ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন, খাল ও জলাধার দখলমুক্ত করা, বর্ষা শুরুর আগেই ড্রেন পরিষ্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা, ড্রেনে আবর্জনা ফেলা বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ, সিটি করপোরেশন-ওয়াসা-রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও জলাবদ্ধতামুক্ত শহর গড়ে তোলাসহ ১১ দফা প্রস্তাব ঘোষণা করে।

 

কর্মসূচির শেষে সরকার, সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত ও জলাবদ্ধতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।