আইইবিতে জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও হুমকির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০২:১০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে
ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ইআরসি ফ্যামিলি লাউঞ্জে স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তানের সামনে জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার ফজলে রাব্বী রনিকে লাঞ্ছনা, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নজরুল ইসলাম ও সুজাউদ্দিন সুজন নামের দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী প্রকৌশলী।
ভুক্তভোগীর বিবরণ অনুযায়ী, তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ইআরসি ফ্যামিলি লাউঞ্জে গেলে নজরুল ইসলাম তাঁর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। রনি নিজেকে আইইবি ঢাকা সেন্টারের কাউন্সিল মেম্বার হিসেবে পরিচয় দেওয়া সত্ত্বেও নজরুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে তাঁকে গালিগালাজ ও অপমান করেন। পরিবারের সদস্যদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পর ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাঁকে ‘আগামীকালের মধ্যে তোকে খেয়ে ফেলবো’ বলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সুজাউদ্দিন সুজন নামের আরেক ব্যক্তি এসে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও থাপ্পড় দেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়।
ঘটনার সময় নজরুল ইসলাম নিজেকে এ্যাবের সদস্য সচিব শোয়েব বাঁশরী হাবলুর ঘনিষ্ঠজন ও ‘গুরু’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে নিজের প্রভাব জাহির করেন বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর আয়োজিত সালিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী। ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় নির্ধারিত সালিশে অভিযুক্তদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ সম্পৃক্ত থাকায় তিনি নিরপেক্ষ ও জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া বিচার চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্ট মুছে ফেলার জন্য শাহাদাত মাছুম নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে তাঁকে মানসিক চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
বর্তমানে পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়ে ভুক্তভোগী প্রকৌশলী তিনটি মূল দাবি তুলে ধরেছেন:
- ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত: নজরুল ইসলাম ও সুজাউদ্দিন সুজনের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া।
- নিরপেক্ষ বিচার: পক্ষপাতমুক্ত ও স্বাধীন প্রক্রিয়ায় তদন্ত নিশ্চিত করা।
- চাপ সৃষ্টিকারীদের বিচার: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট সরাতে চাপ ও হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা।
দীর্ঘদিন ধরে পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ফজলে রাব্বী রনি পরিবারসহ এমন লাঞ্ছনার ঘটনাকে অপমানজনক ও উদ্বেগজনক বলে বর্ণনা করেছেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক ন্যায়বিচার দাবি জানিয়েছেন।





















