সংবাদ শিরোনাম ::
গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান: চান্দিনায় বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত অসভ্যতার সব সীমা পার: আইইবিতে পরিবারসহ জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকি, নেপথ্যে ‘হাবলুর গুরুর’ ক্যাডারতন্ত্র! বেনাপোল স্থলবন্দরে তীব্র জনবল সংকট: ৭৯ পদ শূন্য, চরম ব্যাহত আমদানি-রপ্তানি মানবতার দেওয়াল সংগঠনের ৪র্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গুণীজন সম্মাননা ও সংবর্ধনা প্রদান মানবতার দেওয়াল সংগঠনের ৪র্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গুণীজন সম্মাননা ও সংবর্ধনা প্রদান আইইবিতে জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকি, নেপথ্যে হাবলুর ক্যাডারতন্ত্র আইইবিতে জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও হুমকির অভিযোগ গ্রামীণফোনের শ্রমিকদের ১৬ বছরের পাওনা আদায়ে প্রতিবাদ সমাবেশ: ১৫ অগাস্ট প্রেস ক্লাবে গ্রামীণফোনের শ্রমিকদের ১৬ বছরের পাওনা আদায়ে প্রতিবাদ সমাবেশ: ১৫ অগাস্ট প্রেস ক্লাবে যশোরে ককটেল বিস্ফোরণে যুবক আহত, উদ্ধার হয়নি আরো ২টি ককটেল

অসভ্যতার সব সীমা পার: আইইবিতে পরিবারসহ জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকি, নেপথ্যে ‘হাবলুর গুরুর’ ক্যাডারতন্ত্র!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

অসভ্যতার সব সীমা পার: আইইবিতে পরিবারসহ জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকি, নেপথ্যে ‘হাবলুর গুরুর’ ক্যাডারতন্ত্র!

 

ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ইআরসি ফ্যামিলি লাউঞ্জ এখন কোনো সম্মানিত প্রকৌশলীর নিরাপদ স্থান নয়, বরং তা পরিণত হয়েছে ক্ষমতার দাপট দেখানো সন্ত্রাসীদের আখড়ায়! দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, বুলেটের মুখে দাঁড়িয়ে এ্যাব ও বিএনপির রক্তঝরা পতাকা আঁকড়ে ধরে রাখা লড়াকু সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার ফজলে রাব্বী রনি (FIEB-14400)-কে তাঁর স্ত্রী ও অবুঝ শিশুদের সামনে যেভাবে জঘন্য কায়দায় অপমান, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে—তা পুরো প্রকৌশলী সমাজকে চরমভাবে স্তব্ধ ও ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
একদল পেশিশক্তিধারী ও অসভ্য ক্যাডারের এই নগ্ন তাণ্ডব শুধু একজন জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীর সম্মানকে ধূলিসাৎ করেনি, বরং পেশাজীবীদের দেশের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের গায়ে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় যুক্ত করেছে।
কুরুচিপূর্ণ আচরণ ও গুন্ডামির নগ্ন মহড়া
একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ফ্যামিলি লাউঞ্জে পরিবার নিয়ে প্রবেশের মৌলিক অধিকারকে কেড়ে নিয়ে যে বিষাক্ত পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল, তা এক চরম অসভ্যতার নজির। রনি তাঁর দুই শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে একটু ভালো সময় কাটাতে ফ্যামিলি লাউঞ্জে ঢোকেন। কিন্তু সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা নজরুল ইসলাম নামের এক বয়স্ক ব্যক্তির বিষাক্ত অহংকার ও ঔদ্ধত্য সব সীমা ছাড়িয়ে যায়।
কোনো কারণ ছাড়াই সে হুঙ্কার ছেড়ে বলে, ‘এই তোমরা কারা? আর জায়গা নেই এখানে?’ রনি অত্যন্ত ভদ্রভাবে নিজের পরিচয় এবং আইইবি ঢাকা সেন্টারের কাউন্সিল মেম্বার হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও ওই ব্যক্তির মাস্তানি থামেনি।
পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে দিয়ে রনি যখন এই অন্যায্য ও অসভ্য ব্যবহারের প্রতিবাদ করতে যান, তখন বের হয়ে আসে এদের আসল গডফাদারসুলভ বিষাক্ত রূপ। রুয়েটের ০৪ সিরিজের সাবেক ছাত্র রনিকে সোজা ভাষায় হুমকি দিয়ে নজরুল বলে—‘আমার পরিচয় জানতে চাস? আগামীকালের মধ্যে তোকে খেয়ে ফেলবো!’
এরপর সেখানে যোগ দেয় আরেক ক্যাডার কুয়েটের সুজাউদ্দিন সুজন। সে চেঁচিয়ে উঠে হুঙ্কার দেয়, ‘কুয়েটের দুলালকে জিজ্ঞেস কর আমরা কারা!’ এবং প্রকাশ্যে এক জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীর ‘থাপ্পড় দিয়ে দাঁত খুলে ফেলার’ জঘন্য শারীরিক লাঞ্ছনার হুমকি দেয়।
সবচেয়ে ভয়াবহ ও বিপজ্জনক বিষয় হলো, ওই নজরুল ইসলাম নিজেকে এ্যাবের সদস্য সচিব শোয়েব বাঁশরী হাবলুর ‘গুরু ও বড়ভাই’ দাবি করে দম্ভোক্তি করে বলে—‘হাবলু আমার কথায় ওঠে আর বসে!’ অর্থাৎ পুরো সংগঠনই যেন এখন এসব মাস্তানদের খেয়ালখুশির খাতা!
বিচারের নামে লোকদেখানো প্রহসন ও চাপ প্রয়োগ
ঘটনার পর বিচারের নামে যা শুরু হয়েছে, তা বিচার নয়—বরং অপরাধীদের রক্ষা করার এক নামকাওয়াস্তে নাটকমাত্র। আজ ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় যে ‘শালিস’-এর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেখানে বিচারক হিসেবে রাখা হয়েছে খোদ সেই ‘হাবলু ভাই’-কেই!
যে ব্যক্তির নাম ভাঙিয়ে আসামিরা রনিকে ‘খেয়ে ফেলার’ হুমকি দিল, যে হাবলুকে অভিযুক্তরা নিজেদের হাতের পুতুল বলে দাবি করে—সেই হাবলুকে দিয়ে বিচার করা মানে শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়া! এই প্রহসনের তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষতার নামে এক চরম তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

শুধু তা-ই নয়, ঘটনা ধামাচাপা দিতে শাহাদাত মাছুম নামে এক দালালের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রনির দেওয়া বিচার প্রার্থনার পোস্ট ডিলিট করতে প্রতিনিয়ত মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী প্রকৌশলী রনি ও তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

 

আর কত সহযোদ্ধাদের রক্তে হোলি খেলা?
আজ চোখের জলে ভাসছেন সেই রনি, যিনি ১৭ বছর রাজপথে পুলিশের টিয়ারশেল আর বুলেটের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিলেন। যখন কোনো লোক এ্যাবের ব্যানার ধরার দুঃসাহস দেখাত না, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যিনি মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন—আজ ক্ষমতার অন্ধ মোহে অন্ধ একদল ‘হাইব্রিড মাস্তান’ তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করছে।
আমাদের স্পষ্ট ও কঠোর দাবি:
১. আইইবি এবং এ্যাবের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো নজরুল ইসলাম ও সুজাউদ্দিন সুজনকে অবিলম্বে সংগঠন থেকে চিরতরে বহিষ্কার এবং গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
২. নিরপেক্ষতার দোহাই দেওয়া ভুয়া ও পক্ষপাতদুষ্ট শালিস বাতিল করে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীদের নিয়ে অবিলম্বে নতুন বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
৩. ভুক্তভোগী পরিবারকে পোস্ট ডিলিটের জন্য চাপ প্রদানকারী ও হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

মনে রাখবেন, রাজপথের লড়াকু সৈনিকরা বুলেটের মুখোমুখি হতে ভয় পায় না। অনতিবিলম্বে এসব ক্যাডার ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পুরো প্রকৌশলী সমাজ এক হয়ে এই অন্যায়ের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে বাধ্য হবে!

অসভ্যতার সব সীমা পার: আইইবিতে পরিবারসহ জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকি, নেপথ্যে ‘হাবলুর গুরুর’ ক্যাডারতন্ত্র!

আপডেট সময় : ০৮:১৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

অসভ্যতার সব সীমা পার: আইইবিতে পরিবারসহ জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীকে লাঞ্ছনা ও প্রাণনাশের হুমকি, নেপথ্যে ‘হাবলুর গুরুর’ ক্যাডারতন্ত্র!

 

ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ইআরসি ফ্যামিলি লাউঞ্জ এখন কোনো সম্মানিত প্রকৌশলীর নিরাপদ স্থান নয়, বরং তা পরিণত হয়েছে ক্ষমতার দাপট দেখানো সন্ত্রাসীদের আখড়ায়! দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, বুলেটের মুখে দাঁড়িয়ে এ্যাব ও বিএনপির রক্তঝরা পতাকা আঁকড়ে ধরে রাখা লড়াকু সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার ফজলে রাব্বী রনি (FIEB-14400)-কে তাঁর স্ত্রী ও অবুঝ শিশুদের সামনে যেভাবে জঘন্য কায়দায় অপমান, গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে—তা পুরো প্রকৌশলী সমাজকে চরমভাবে স্তব্ধ ও ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
একদল পেশিশক্তিধারী ও অসভ্য ক্যাডারের এই নগ্ন তাণ্ডব শুধু একজন জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীর সম্মানকে ধূলিসাৎ করেনি, বরং পেশাজীবীদের দেশের সর্বোচ্চ মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানের গায়ে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় যুক্ত করেছে।
কুরুচিপূর্ণ আচরণ ও গুন্ডামির নগ্ন মহড়া
একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের ফ্যামিলি লাউঞ্জে পরিবার নিয়ে প্রবেশের মৌলিক অধিকারকে কেড়ে নিয়ে যে বিষাক্ত পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল, তা এক চরম অসভ্যতার নজির। রনি তাঁর দুই শিশু সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে একটু ভালো সময় কাটাতে ফ্যামিলি লাউঞ্জে ঢোকেন। কিন্তু সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা নজরুল ইসলাম নামের এক বয়স্ক ব্যক্তির বিষাক্ত অহংকার ও ঔদ্ধত্য সব সীমা ছাড়িয়ে যায়।
কোনো কারণ ছাড়াই সে হুঙ্কার ছেড়ে বলে, ‘এই তোমরা কারা? আর জায়গা নেই এখানে?’ রনি অত্যন্ত ভদ্রভাবে নিজের পরিচয় এবং আইইবি ঢাকা সেন্টারের কাউন্সিল মেম্বার হিসেবে পরিচয় দেওয়ার পরও ওই ব্যক্তির মাস্তানি থামেনি।
পরিবারকে নিরাপদে সরিয়ে দিয়ে রনি যখন এই অন্যায্য ও অসভ্য ব্যবহারের প্রতিবাদ করতে যান, তখন বের হয়ে আসে এদের আসল গডফাদারসুলভ বিষাক্ত রূপ। রুয়েটের ০৪ সিরিজের সাবেক ছাত্র রনিকে সোজা ভাষায় হুমকি দিয়ে নজরুল বলে—‘আমার পরিচয় জানতে চাস? আগামীকালের মধ্যে তোকে খেয়ে ফেলবো!’
এরপর সেখানে যোগ দেয় আরেক ক্যাডার কুয়েটের সুজাউদ্দিন সুজন। সে চেঁচিয়ে উঠে হুঙ্কার দেয়, ‘কুয়েটের দুলালকে জিজ্ঞেস কর আমরা কারা!’ এবং প্রকাশ্যে এক জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীর ‘থাপ্পড় দিয়ে দাঁত খুলে ফেলার’ জঘন্য শারীরিক লাঞ্ছনার হুমকি দেয়।
সবচেয়ে ভয়াবহ ও বিপজ্জনক বিষয় হলো, ওই নজরুল ইসলাম নিজেকে এ্যাবের সদস্য সচিব শোয়েব বাঁশরী হাবলুর ‘গুরু ও বড়ভাই’ দাবি করে দম্ভোক্তি করে বলে—‘হাবলু আমার কথায় ওঠে আর বসে!’ অর্থাৎ পুরো সংগঠনই যেন এখন এসব মাস্তানদের খেয়ালখুশির খাতা!
বিচারের নামে লোকদেখানো প্রহসন ও চাপ প্রয়োগ
ঘটনার পর বিচারের নামে যা শুরু হয়েছে, তা বিচার নয়—বরং অপরাধীদের রক্ষা করার এক নামকাওয়াস্তে নাটকমাত্র। আজ ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় যে ‘শালিস’-এর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেখানে বিচারক হিসেবে রাখা হয়েছে খোদ সেই ‘হাবলু ভাই’-কেই!
যে ব্যক্তির নাম ভাঙিয়ে আসামিরা রনিকে ‘খেয়ে ফেলার’ হুমকি দিল, যে হাবলুকে অভিযুক্তরা নিজেদের হাতের পুতুল বলে দাবি করে—সেই হাবলুকে দিয়ে বিচার করা মানে শিয়ালের কাছে মুরগি বর্গা দেওয়া! এই প্রহসনের তদন্ত কমিটি নিরপেক্ষতার নামে এক চরম তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।

 

শুধু তা-ই নয়, ঘটনা ধামাচাপা দিতে শাহাদাত মাছুম নামে এক দালালের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রনির দেওয়া বিচার প্রার্থনার পোস্ট ডিলিট করতে প্রতিনিয়ত মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী প্রকৌশলী রনি ও তাঁর পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

 

আর কত সহযোদ্ধাদের রক্তে হোলি খেলা?
আজ চোখের জলে ভাসছেন সেই রনি, যিনি ১৭ বছর রাজপথে পুলিশের টিয়ারশেল আর বুলেটের সামনে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিলেন। যখন কোনো লোক এ্যাবের ব্যানার ধরার দুঃসাহস দেখাত না, তখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যিনি মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছেন—আজ ক্ষমতার অন্ধ মোহে অন্ধ একদল ‘হাইব্রিড মাস্তান’ তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে প্রকাশ্যে লাঞ্ছিত করছে।
আমাদের স্পষ্ট ও কঠোর দাবি:
১. আইইবি এবং এ্যাবের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানো নজরুল ইসলাম ও সুজাউদ্দিন সুজনকে অবিলম্বে সংগঠন থেকে চিরতরে বহিষ্কার এবং গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
২. নিরপেক্ষতার দোহাই দেওয়া ভুয়া ও পক্ষপাতদুষ্ট শালিস বাতিল করে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত জ্যেষ্ঠ প্রকৌশলীদের নিয়ে অবিলম্বে নতুন বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
৩. ভুক্তভোগী পরিবারকে পোস্ট ডিলিটের জন্য চাপ প্রদানকারী ও হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে।

মনে রাখবেন, রাজপথের লড়াকু সৈনিকরা বুলেটের মুখোমুখি হতে ভয় পায় না। অনতিবিলম্বে এসব ক্যাডার ও তাদের আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পুরো প্রকৌশলী সমাজ এক হয়ে এই অন্যায়ের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে বাধ্য হবে!