সংবাদ শিরোনাম ::
প্রায় পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার যশোরে ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মিলবে হৃদরোগের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা, সিসিইউ চালুতে ৩৩ পদ অনুমোদন নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়তে TFGBV প্রতিরোধে আইনি সুরক্ষার দাবি মোংলার নিখোঁজ জেলে মিরাজ শেখের সন্ধান দাবিতে সংবাদ সম্মেলন গ্রামীণফোনের শ্রমিকদের ৫% বিলম্বজনিত পাওনার  দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অর্থমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানিসহ সব কার্যক্রম বন্ধ যশোরের শার্শার উলাশী জিয়া খাল পুনঃখননে এখন প্রবাহমান কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে খোরশেদ সভাপতি, বাবু সম্পাদক, জাকির সাংগঠনিক সম্পাদক কুমিল্লায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ডায়মন্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজকে লাখ টাকা জরিমানা তালাশ টিমের সংবাদকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে ডা. এস এম সরওয়ারের সংবাদ সম্মেলন

প্রায় পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার

যশোর প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

যশোরে ২০২১ সালে সংঘটিত আব্দুর রহমান কাকন (৩৫) হত্যা মামলার প্রায় পাঁচ বছর পর মামলার তদন্তে প্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), যশোর জেলা ইউনিট।

 

গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সানি (২৬)। তিনি মৃত মো. রিয়াজ হোসেনের ছেলে। তার ঠিকানা যশোর কোতয়ালী থানাধীন বারান্দীপাড়া মেঠো পুকুরপাড় চাতাল সংলগ্ন এলাকা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে কোতয়ালী থানাধীন উপশহর শফিউল্লাহ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ব্যবসার কাজে যাওয়ার কথা বলে নিজ বাসা থেকে বের হন আব্দুর রহমান কাকন। একই দিন রাত আনুমানিক ১০টা ৪১ মিনিটে পূর্ব বারান্দী মোল্যাপাড়া কবরস্থানের পাশে নারায়ণের চায়ের দোকানের ভেতরে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়রা কাকনকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি মামলা নম্বর-৫১, ধারা ৩০২/৩৪, তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২১।
পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার নেয় সিআইডি, যশোর জেলা। তদন্ত শুরু করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।
তদন্তের একপর্যায়ে ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে জিতুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি কাকন হত্যাকাণ্ডে শফি, মো. সানি ও সাদ্দাম মোল্লার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন।
সিআইডি জানায়, জবানবন্দিসহ তদন্তে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে কাকন হত্যাকাণ্ডে মো. সানির সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। তবে হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে থাকায় দীর্ঘদিন তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সানির সম্ভাব্য অবস্থান শনাক্ত করতে সিআইডি যশোর জেলা ইউনিট দীর্ঘদিন ধরে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে উপশহর শফিউল্লাহ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি আরও জানায়, তদন্তে কাকন হত্যাকাণ্ডে মো. সানিসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার সানিকে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

প্রায় পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৩:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে ২০২১ সালে সংঘটিত আব্দুর রহমান কাকন (৩৫) হত্যা মামলার প্রায় পাঁচ বছর পর মামলার তদন্তে প্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), যশোর জেলা ইউনিট।

 

গ্রেপ্তার আসামির নাম মো. সানি (২৬)। তিনি মৃত মো. রিয়াজ হোসেনের ছেলে। তার ঠিকানা যশোর কোতয়ালী থানাধীন বারান্দীপাড়া মেঠো পুকুরপাড় চাতাল সংলগ্ন এলাকা। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) রাত ১টা ২০ মিনিটের দিকে কোতয়ালী থানাধীন উপশহর শফিউল্লাহ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ব্যবসার কাজে যাওয়ার কথা বলে নিজ বাসা থেকে বের হন আব্দুর রহমান কাকন। একই দিন রাত আনুমানিক ১০টা ৪১ মিনিটে পূর্ব বারান্দী মোল্যাপাড়া কবরস্থানের পাশে নারায়ণের চায়ের দোকানের ভেতরে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে বুকের বাম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
পরে স্থানীয়রা কাকনকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মা মোছা. সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি মামলা নম্বর-৫১, ধারা ৩০২/৩৪, তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০২১।
পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার নেয় সিআইডি, যশোর জেলা। তদন্ত শুরু করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।
তদন্তের একপর্যায়ে ২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে জিতুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি কাকন হত্যাকাণ্ডে শফি, মো. সানি ও সাদ্দাম মোল্লার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন।
সিআইডি জানায়, জবানবন্দিসহ তদন্তে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে কাকন হত্যাকাণ্ডে মো. সানির সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। তবে হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে থাকায় দীর্ঘদিন তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সানির সম্ভাব্য অবস্থান শনাক্ত করতে সিআইডি যশোর জেলা ইউনিট দীর্ঘদিন ধরে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাতে উপশহর শফিউল্লাহ মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিআইডি আরও জানায়, তদন্তে কাকন হত্যাকাণ্ডে মো. সানিসহ আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার সানিকে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মামলায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সিআইডির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।