সংবাদ শিরোনাম ::
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ১৪তম FACD-CAB আন্তর্জাতিক শিক্ষা এক্সপো আয়োজনে খান আক্তারুজ্জামান দেবিদ্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২টি অবৈধ ড্রেজার বিনষ্ট, মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড জাতীয় সংহতি ও সমঅধিকারের দাবিতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ এসবি প্রধান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ-রাষ্ট্রের সব সমস্যার সমাধান হবে: ইসলামী সমাজের আমীর সাংবাদিক পরিচয়ে ৭২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, কামালের বিচারের দাবি প্রবাসীর দেবিদ্বারে অবৈধ ড্রেজারে কৃষিজমি ধ্বংসের অভিযোগ, প্রশাসন ‘ম্যানেজ’ করার দাবি বিহারী জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতীকী অনশন দেবিদ্বারে অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকের বিরুদ্ধে মামলা: ‘আওয়ামী দোসর’ তকমা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি দেবিদ্বারে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত, শহীদ পরিবার ও আহতদের সংবর্ধনা

জাতীয় সংহতি ও সমঅধিকারের দাবিতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৬ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংহতি ও পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সব নাগরিকের সমঅধিকার, সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট।

 

শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংহতি সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বক্তব্য দেন সংগঠনের নেতারা। এতে সভাপতিত্ব করেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের মূলভিত্তি হলো সব নাগরিকের সমান অধিকার ও একক জাতীয় সত্তা। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও বাঙালি নির্বিশেষে সবাই বাংলাদেশি। জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ন রাখতে এবং সম্ভাব্য বিভাজন রোধে রাষ্ট্রীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা প্রয়োজন।

 

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের উন্নয়নে কৃত্রিম বিভাজন নয়, সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিই স্থায়ী শান্তির চাবিকাঠি। পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত করে ‘উপজাতি’ কিংবা ‘সেটলার’-এর মতো দূরত্ব তৈরিকারী মানসিকতা পরিহার করতে হবে। পাহাড়ের প্রতিটি নাগরিকের অবদানকে সমভাবে মূল্যায়ন করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

 

সমাবেশে পার্বত্য অঞ্চলের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সেখানে বসবাসরত সব অধিবাসীর জন্য সমতার ভিত্তিতে আয়কর ছাড়সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিস্তৃত করার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, ‘জাতিগত পরিচয় যার যার, বাংলাদেশি পরিচয় সবার’—এই মূল্যবোধকে সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভাজনমুখী রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রীতির চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।

সমাবেশ শেষে এসব রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা, খাগড়াছড়ি জেলার সমন্বয়ক নেজাম উদ্দিন, ডেল এইচ খান, কর্নেল হাসিনুর, জীবন চাক, মো. রহিম, উখোয়াই মে মারমা, মেন রাও স্রো, থংপং স্রো, অং সিং খোয়াই মারমা, স্টুডেন্ট ফর সার্বভৌমত্বের সভাপতি জিয়াউল হক, লেখক ও কলামিস্ট এইচ এম ফারুক, গণ অধিকার পরিষদের ফারুক হাসান এবং উ সাইন থোয়াই মারমাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

 

জাতীয় সংহতি ও সমঅধিকারের দাবিতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

জাতীয় সংহতি ও পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে সব নাগরিকের সমঅধিকার, সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট।

 

শনিবার (৮ আগস্ট) ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনটির উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও সংহতি সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে পার্বত্য চট্টগ্রামের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে বক্তব্য দেন সংগঠনের নেতারা। এতে সভাপতিত্ব করেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাক।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের মূলভিত্তি হলো সব নাগরিকের সমান অধিকার ও একক জাতীয় সত্তা। পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন জনগোষ্ঠী ও বাঙালি নির্বিশেষে সবাই বাংলাদেশি। জাতীয় সংহতি অক্ষুণ্ন রাখতে এবং সম্ভাব্য বিভাজন রোধে রাষ্ট্রীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা প্রয়োজন।

 

তিনি আরও বলেন, পাহাড়ের উন্নয়নে কৃত্রিম বিভাজন নয়, সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিই স্থায়ী শান্তির চাবিকাঠি। পার্বত্য চট্টগ্রামকে বিভাজনের রাজনীতি থেকে মুক্ত করে ‘উপজাতি’ কিংবা ‘সেটলার’-এর মতো দূরত্ব তৈরিকারী মানসিকতা পরিহার করতে হবে। পাহাড়ের প্রতিটি নাগরিকের অবদানকে সমভাবে মূল্যায়ন করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

 

সমাবেশে পার্বত্য অঞ্চলের সুষম অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে সেখানে বসবাসরত সব অধিবাসীর জন্য সমতার ভিত্তিতে আয়কর ছাড়সহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিস্তৃত করার আহ্বান জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, ‘জাতিগত পরিচয় যার যার, বাংলাদেশি পরিচয় সবার’—এই মূল্যবোধকে সামনে রেখে পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভাজনমুখী রাজনীতির অবসান ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও সামাজিক সম্প্রীতির চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।

সমাবেশ শেষে এসব রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের মুখপাত্র পাইশিখই মারমা, খাগড়াছড়ি জেলার সমন্বয়ক নেজাম উদ্দিন, ডেল এইচ খান, কর্নেল হাসিনুর, জীবন চাক, মো. রহিম, উখোয়াই মে মারমা, মেন রাও স্রো, থংপং স্রো, অং সিং খোয়াই মারমা, স্টুডেন্ট ফর সার্বভৌমত্বের সভাপতি জিয়াউল হক, লেখক ও কলামিস্ট এইচ এম ফারুক, গণ অধিকার পরিষদের ফারুক হাসান এবং উ সাইন থোয়াই মারমাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।