সংবাদ শিরোনাম ::
পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে আলমগীর হোসেন প্রধানকে চান এলাকাবাসী এক পলকের কাব্য: প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম ‘এক পলকের কাব্য’ নিয়ে জাগ্রত সাহিত্য পরিষদের বর্ণাঢ্য সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত সুরের মোহনায় মুগ্ধতা, কণ্ঠশিল্পী মিরাজ কে ঘিরে জমকালো আয়োজন ন্যায্য পাওনার দাবিতে বিডা কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিলেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তারা প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ১৪তম FACD-CAB আন্তর্জাতিক শিক্ষা এক্সপো আয়োজনে খান আক্তারুজ্জামান দেবিদ্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২টি অবৈধ ড্রেজার বিনষ্ট, মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড জাতীয় সংহতি ও সমঅধিকারের দাবিতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ এসবি প্রধান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই সমাজ-রাষ্ট্রের সব সমস্যার সমাধান হবে: ইসলামী সমাজের আমীর

এক পলকের কাব্য: প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম

স্টাফ রিপোর্টার (আরিয়ান ইসলাম) হৃদয়
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

এক পলকের কাব্য: প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম
দুই লাইনের সংক্ষিপ্ত পরিসরে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এক নতুন সাহিত্যিক চিন্তা

বাংলা সাহিত্যে অল্প শব্দে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এক স্বতন্ত্র সাহিত্যিক চিন্তার নাম “এক পলকের কাব্য”। এই সাহিত্যচিন্তার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম। মাত্র দুই লাইনের সংক্ষিপ্ত পরিসরে একটি পূর্ণাঙ্গ অনুভূতি, চিন্তা, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, বেদনা, প্রতিবাদ কিংবা দর্শনকে শিল্পিতভাবে তুলে ধরাই এ সাহিত্যধারার মূল বৈশিষ্ট্য।

 

সময়ের সঙ্গে মানুষের জীবনযাপন যেমন বদলেছে, তেমনি বদলেছে চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশের ধরন এবং মনোযোগের পরিসর। দ্রুতগতির ডিজিটাল যুগে মানুষ অল্প সময়ে তথ্য গ্রহণের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ অনুভূতির প্রতিও আগ্রহী হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সাহিত্যের নতুন এক সংযোগ তৈরির ভাবনা থেকেই শিহাব রিফাত আলম “এক পলকের কাব্য”-এর ধারণা প্রবর্তন করেন।

এই সাহিত্যধারার দর্শন অত্যন্ত সরল, কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ। কবিতার শব্দ কম হবে, পরিসর হবে ছোট; অথচ তার অনুভূতি, ভাবনা ও অভিঘাত হবে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। অর্থাৎ, কবিতা পড়তে সময় লাগবে মাত্র এক পলক, কিন্তু তার অনুভূতি পাঠকের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে অনেকক্ষণ।
“এক পলকের কাব্য” দীর্ঘ কবিতার বিকল্প নয়, আবার দীর্ঘ কবিতার বিরোধিতাও করে না।

 

বরং এটি সাহিত্যের প্রকাশভঙ্গিতে একটি স্বতন্ত্র সংযোজন। সীমিত পরিসরের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ অনুভূতি বা ভাবনাকে এমনভাবে প্রকাশ করা, যাতে পাঠ শেষ হওয়ার পরও তার অর্থ ও অনুরণন পাঠকের মনে চলতে থাকে—এ সাহিত্যচিন্তার অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিশ্বসাহিত্যে সংক্ষিপ্ত কবিতার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। জাপানের হাইকুসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র কবিতার ধারা অল্প শব্দে গভীর অনুভূতি ও প্রকৃতির দর্শন প্রকাশের শক্তি দেখিয়েছে। সেই ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই সমকালীন বাংলা ভাষাভাষী মানুষের দ্রুত পরিবর্তনশীল জীবন, সময়ের সংকোচন এবং মনোযোগের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে “এক পলকের কাব্য”-কে একটি স্বতন্ত্র সমকালীন সাহিত্যিক চিন্তা হিসেবে সামনে এনেছেন শিহাব রিফাত আলম।
এই সাহিত্যচিন্তার মূল দর্শন—
“কবিতার পরিসর ছোট হতে পারে, কিন্তু তার অনুভূতির পরিসর হতে পারে অসীম।”
শিহাব রিফাত আলমের “এক পলকের কাব্য” মূলত সংক্ষিপ্ততার মধ্যে গভীরতা এবং অল্প শব্দের মধ্যে দীর্ঘ অনুভূতির প্রকাশকে গুরুত্ব দেয়। প্রেম, বিরহ, জীবনসংগ্রাম, আশা, হতাশা, বেদনা, প্রতিবাদ কিংবা মানবিক অনুভূতির নানা দিক এই সাহিত্যধারায় স্থান পেতে পারে।

এই ধারার ভাবনাকে তুলে ধরে শিহাব রিফাত আলমের একটি কাব্যাংশ—
হৃদয় ভেঙে গেছে,
তবুও উঠে দাঁড়াতে হবে—
কারণ তুমি কথা দিয়েছিলে,
আসবে ফিরে।
— শিহাব রিফাত আলম
সাহিত্যের পরিবর্তিত ভাষা ও সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অল্প পরিসরে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এই চিন্তা বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে নতুন এক ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। “এক পলকের কাব্য” ভবিষ্যতে স্বতন্ত্র একটি সাহিত্যিক প্রকাশভঙ্গি হিসেবে পাঠক ও লেখকদের মধ্যে আরও বিস্তৃতভাবে জায়গা করে নেবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে।

 

এক পলকের কাব্য: প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম

আপডেট সময় : ০৯:০৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

এক পলকের কাব্য: প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম
দুই লাইনের সংক্ষিপ্ত পরিসরে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এক নতুন সাহিত্যিক চিন্তা

বাংলা সাহিত্যে অল্প শব্দে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এক স্বতন্ত্র সাহিত্যিক চিন্তার নাম “এক পলকের কাব্য”। এই সাহিত্যচিন্তার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম। মাত্র দুই লাইনের সংক্ষিপ্ত পরিসরে একটি পূর্ণাঙ্গ অনুভূতি, চিন্তা, জীবনবোধ, প্রেম, বিরহ, বেদনা, প্রতিবাদ কিংবা দর্শনকে শিল্পিতভাবে তুলে ধরাই এ সাহিত্যধারার মূল বৈশিষ্ট্য।

 

সময়ের সঙ্গে মানুষের জীবনযাপন যেমন বদলেছে, তেমনি বদলেছে চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশের ধরন এবং মনোযোগের পরিসর। দ্রুতগতির ডিজিটাল যুগে মানুষ অল্প সময়ে তথ্য গ্রহণের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ অনুভূতির প্রতিও আগ্রহী হয়ে উঠছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সাহিত্যের নতুন এক সংযোগ তৈরির ভাবনা থেকেই শিহাব রিফাত আলম “এক পলকের কাব্য”-এর ধারণা প্রবর্তন করেন।

এই সাহিত্যধারার দর্শন অত্যন্ত সরল, কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ। কবিতার শব্দ কম হবে, পরিসর হবে ছোট; অথচ তার অনুভূতি, ভাবনা ও অভিঘাত হবে গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। অর্থাৎ, কবিতা পড়তে সময় লাগবে মাত্র এক পলক, কিন্তু তার অনুভূতি পাঠকের হৃদয়ে বেঁচে থাকবে অনেকক্ষণ।
“এক পলকের কাব্য” দীর্ঘ কবিতার বিকল্প নয়, আবার দীর্ঘ কবিতার বিরোধিতাও করে না।

 

বরং এটি সাহিত্যের প্রকাশভঙ্গিতে একটি স্বতন্ত্র সংযোজন। সীমিত পরিসরের মধ্যেই একটি পূর্ণাঙ্গ অনুভূতি বা ভাবনাকে এমনভাবে প্রকাশ করা, যাতে পাঠ শেষ হওয়ার পরও তার অর্থ ও অনুরণন পাঠকের মনে চলতে থাকে—এ সাহিত্যচিন্তার অন্যতম উদ্দেশ্য।
বিশ্বসাহিত্যে সংক্ষিপ্ত কবিতার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। জাপানের হাইকুসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র কবিতার ধারা অল্প শব্দে গভীর অনুভূতি ও প্রকৃতির দর্শন প্রকাশের শক্তি দেখিয়েছে। সেই ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই সমকালীন বাংলা ভাষাভাষী মানুষের দ্রুত পরিবর্তনশীল জীবন, সময়ের সংকোচন এবং মনোযোগের পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে “এক পলকের কাব্য”-কে একটি স্বতন্ত্র সমকালীন সাহিত্যিক চিন্তা হিসেবে সামনে এনেছেন শিহাব রিফাত আলম।
এই সাহিত্যচিন্তার মূল দর্শন—
“কবিতার পরিসর ছোট হতে পারে, কিন্তু তার অনুভূতির পরিসর হতে পারে অসীম।”
শিহাব রিফাত আলমের “এক পলকের কাব্য” মূলত সংক্ষিপ্ততার মধ্যে গভীরতা এবং অল্প শব্দের মধ্যে দীর্ঘ অনুভূতির প্রকাশকে গুরুত্ব দেয়। প্রেম, বিরহ, জীবনসংগ্রাম, আশা, হতাশা, বেদনা, প্রতিবাদ কিংবা মানবিক অনুভূতির নানা দিক এই সাহিত্যধারায় স্থান পেতে পারে।

এই ধারার ভাবনাকে তুলে ধরে শিহাব রিফাত আলমের একটি কাব্যাংশ—
হৃদয় ভেঙে গেছে,
তবুও উঠে দাঁড়াতে হবে—
কারণ তুমি কথা দিয়েছিলে,
আসবে ফিরে।
— শিহাব রিফাত আলম
সাহিত্যের পরিবর্তিত ভাষা ও সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অল্প পরিসরে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এই চিন্তা বাংলা সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে নতুন এক ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। “এক পলকের কাব্য” ভবিষ্যতে স্বতন্ত্র একটি সাহিত্যিক প্রকাশভঙ্গি হিসেবে পাঠক ও লেখকদের মধ্যে আরও বিস্তৃতভাবে জায়গা করে নেবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে।