এনসিপি নেতা ও এসপির নির্দেশে দুই আ.লীগ নেতা মুক্ত
- আপডেট সময় : ০৬:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
এনসিপি নেতা ও এসপির নির্দেশে ছাড়া পেলেন দেবিদ্বারের ইউপি সদস্যসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতা
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৪ নম্বর সুবিল ইউনিয়নের রাঘবপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মো. আবু হানিফসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে থানায় আটকের পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে একটি শালিসে অংশ নিতে দেবিদ্বার থানায় গেলে সুবিল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. হানিফ সরকার এবং রাগুরামপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোতালেবকে পুলিশ আটক করে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানা হাজতে রাখা হয়।
আটকের পর পুলিশের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুব সংগঠন জাতীয় যুব শক্তি ও ছাত্রশক্তির নেতাদের দফায় দফায় বৈঠক হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। পরে রাতে মুচলেকা নিয়ে জাতীয় যুব শক্তির দেবিদ্বার উপজেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুহতাদির যারিফ সিক্তের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও হানিফ সরকার ও মোতালেব বর্তমানে এনসিপির স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে থেকে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। এমনকি তারা থানায় গিয়েও বিভিন্ন শালিসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগও করেন স্থানীয়রা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জাতীয় যুব শক্তির নেতা অ্যাডভোকেট মুহতাদির যারিফ সিক্ত বলেন, “নির্বাচনের সময় তারা আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে এবং এখনো আমাদের সঙ্গে আছে। তারা আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছে কি না, তা আমি বলতে পারছি না। তাদের নামে কোনো মামলা নেই।”
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “এসপি স্যারের নির্দেশে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, মো. আবু হানিফ রাঘবপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য এবং এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হিসেবে পরিচিত। আটক করে পরে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।






















