সংবাদ শিরোনাম ::
কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: সাংবাদিক দেবাশীষসহ ৫ বাংলাদেশির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর এনসিপি নেতা ও এসপির নির্দেশে দুই আ.লীগ নেতা মুক্ত এনসিপি নেতা ও এসপির নির্দেশে ছাড়া পেলেন দেবিদ্বারের ইউপি সদস্যসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতা এনসিপি নেতা ও এসপির নির্দেশে ছাড়া পেলেন দেবিদ্বারের ইউপি সদস্যসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী পার্থকে dailydinlipi24 com-এর অভিনন্দন পলাশ হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন, আসামিদের বিরুদ্ধে হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ বেনাপোলে ২৩ আগস্ট বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা শিবির, ছানিপড়া রোগীদের বিনামূল্যে অপারেশন বেনাপোলে স্বজনদের অপেক্ষা, কলকাতায় আগুনে নিহতদের মরদেহ ফেরার অপেক্ষায় বীরগঞ্জে স্কুলের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের শাস্তি দাবি কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বেনাপোলে স্বজনদের অপেক্ষা, কলকাতায় আগুনে নিহতদের মরদেহ ফেরার অপেক্ষায়

মনির হোসেন, বেনাপোল, শার্শা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার চারজন ও সাভারের একজন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় বেনাপোলে অবস্থান করছেন স্বজনরা।

 

শুক্রবার সন্ধ্যায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি ফেরদৌস হোসেন খান জানান, নিহতদের মরদেহ কখন দেশে আনা হবে, সে বিষয়ে এখনও তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (৩৫), তাদের তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪) এবং সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আদম আলীর ছেলে আহম্মেদ বাবু (৩৭)।

 

মরদেহ গ্রহণের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অপেক্ষা করছেন আহম্মেদ বাবুর স্বজনরা।

 

আহম্মেদ বাবুর মেজো ভাই মনির হোসেন জানান, সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতা যান বাবু। সেখানে অবস্থানকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কথাও হয়। কিন্তু কলকাতার ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

পরে বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে মোবাইল ফোনে বাবুর নিহত হওয়ার খবর পরিবারকে জানানো হয়। এরপর হাইকমিশন থেকে পাঠানো ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা আহম্মেদ বাবুকে শনাক্ত করেন।

 

মনির হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতায় মরদেহ গ্রহণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর তারা মরদেহ গ্রহণ করে বাংলাদেশে রওনা দেবেন বলে জানানো হয়েছে।

 

স্বজনদের আশা, শনিবার বিকেল ৪টার মধ্যে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর স্বজনরা তা গ্রহণ করে নিজ নিজ এলাকায় নিয়ে যাবেন।

 

বেনাপোলে স্বজনদের অপেক্ষা, কলকাতায় আগুনে নিহতদের মরদেহ ফেরার অপেক্ষায়

আপডেট সময় : ১০:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত কুষ্টিয়ার চারজন ও সাভারের একজন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় বেনাপোলে অবস্থান করছেন স্বজনরা।

 

শুক্রবার সন্ধ্যায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ওসি ফেরদৌস হোসেন খান জানান, নিহতদের মরদেহ কখন দেশে আনা হবে, সে বিষয়ে এখনও তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত (৪০), তার স্ত্রী আফসানা শিম্মিন (৩৫), তাদের তিন বছরের ছেলে স্বর্ণশীষ দত্ত, শ্বশুর মো. আকরাম আলী (৬৪) এবং সাভারের আমিনবাজারের বেগুনবাড়ি এলাকার আদম আলীর ছেলে আহম্মেদ বাবু (৩৭)।

 

মরদেহ গ্রহণের জন্য শুক্রবার বিকেল থেকেই বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এলাকায় অপেক্ষা করছেন আহম্মেদ বাবুর স্বজনরা।

 

আহম্মেদ বাবুর মেজো ভাই মনির হোসেন জানান, সোমবার রাতে ব্যবসায়িক কাজে কলকাতা যান বাবু। সেখানে অবস্থানকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার কথাও হয়। কিন্তু কলকাতার ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

 

পরে বুধবার দুপুরে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে মোবাইল ফোনে বাবুর নিহত হওয়ার খবর পরিবারকে জানানো হয়। এরপর হাইকমিশন থেকে পাঠানো ছবি দেখে পরিবারের সদস্যরা আহম্মেদ বাবুকে শনাক্ত করেন।

 

মনির হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ৮টার দিকে কলকাতায় মরদেহ গ্রহণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর তারা মরদেহ গ্রহণ করে বাংলাদেশে রওনা দেবেন বলে জানানো হয়েছে।

 

স্বজনদের আশা, শনিবার বিকেল ৪টার মধ্যে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হতে পারে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর স্বজনরা তা গ্রহণ করে নিজ নিজ এলাকায় নিয়ে যাবেন।