সংবাদ শিরোনাম ::
বীরগঞ্জে স্কুলের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের শাস্তি দাবি কুমিল্লা পেশাজীবী সাংবাদিক সোসাইটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জে কিশোরীর রহস্যজনক ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, আত্মহত্যা নাকি হত্যা? বেনাপোলে ২১ লাখ টাকার চেক প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার ১ ঢাকা-চট্টগ্রাম লং মার্চ সফল করতে কুমিল্লা উত্তর জেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা স্লিপার বাস বন্ধের প্রতিবাদে বাস মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ মন্ত্রণালয়ের মৌখিক আশ্বাসে পানি পান করিয়ে তাদের অনশন কর্মসূচি শেষ করা হয়েছে। বেনাপোলে ইছামতীর পানি বৃদ্ধিতে প্লাবিত ১০০ পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ ভারতে পাচারের সময় বেনাপোলে সাড়ে ৯০ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক যশোরের যৌনপল্লিতে এইচআইভি ঝুঁকি বাড়লেও কনডম সরবরাহে ঘাটতি

বীরগঞ্জে স্কুলের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের শাস্তি দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ১০:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিদ্যালয়ের মূল্যবান গাছ কেটে গোপনে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চৌধুরীহাট আত্রাই উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

জানা গেছে, শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে বিদ্যালয় চত্বরে থাকা প্রায় ৮ থেকে ১০টি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলা হয়। স্থানীয়দের ধারণা, কর্তন করা গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

 

অভিযোগের বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার আলী শাহ জানান, বিষয়টি জানার পর অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তন করা গাছগুলো আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গাছের টুকরাগুলো বিদ্যালয়ের ভেতরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে।

 

স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ রেখে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের নির্দেশে এবং তাঁর উপস্থিতিতে গাছগুলো কাটা হয়। গাছ ক্রেতা কাঠ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের লোকজন গাছগুলো কাটেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কাজ বাকি রয়েছে, কিন্তু ফান্ডে টাকা নেই। তাই তিনি নিজ দায়িত্বে গাছগুলো বিক্রি করেছেন। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের বিশেষ প্রয়োজনেই গাছগুলো কাটা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেননি। তবে শিক্ষা কর্মকর্তার ফোন পাওয়ার পর কর্তন করা গাছের টুকরাগুলো বিদ্যালয়ে জমা করে রাখা হয়েছে।
এদিকে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমা খাতুন জানান, গাছ কাটার বিষয়ে তাঁকে আগে জানানো হয়নি। পরে বিভিন্ন ব্যক্তির পাঠানো ক্ষুদে বার্তা ও মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সম্পদ হিসেবে গাছ কাটার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তাদের দাবি, অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটার বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ ও গাছ বিক্রির প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা হোক।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষায় দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে প্রকাশেরও দাবি জানান তারা।

 

 

বীরগঞ্জে স্কুলের মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ, প্রধান শিক্ষকের শাস্তি দাবি

আপডেট সময় : ১০:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বিদ্যালয়ের মূল্যবান গাছ কেটে গোপনে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চৌধুরীহাট আত্রাই উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

 

জানা গেছে, শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে বিদ্যালয় চত্বরে থাকা প্রায় ৮ থেকে ১০টি ইউক্যালিপ্টাস গাছ কেটে ফেলা হয়। স্থানীয়দের ধারণা, কর্তন করা গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা।

 

অভিযোগের বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জুলফিকার আলী শাহ জানান, বিষয়টি জানার পর অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তন করা গাছগুলো আটক করা হয়েছে। বর্তমানে গাছের টুকরাগুলো বিদ্যালয়ের ভেতরে স্তূপ করে রাখা হয়েছে।

 

স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ রেখে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের নির্দেশে এবং তাঁর উপস্থিতিতে গাছগুলো কাটা হয়। গাছ ক্রেতা কাঠ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের লোকজন গাছগুলো কাটেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিদ্যালয়ে বিভিন্ন কাজ বাকি রয়েছে, কিন্তু ফান্ডে টাকা নেই। তাই তিনি নিজ দায়িত্বে গাছগুলো বিক্রি করেছেন। তাঁর দাবি, বিদ্যালয়ের বিশেষ প্রয়োজনেই গাছগুলো কাটা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেননি। তবে শিক্ষা কর্মকর্তার ফোন পাওয়ার পর কর্তন করা গাছের টুকরাগুলো বিদ্যালয়ে জমা করে রাখা হয়েছে।
এদিকে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমা খাতুন জানান, গাছ কাটার বিষয়ে তাঁকে আগে জানানো হয়নি। পরে বিভিন্ন ব্যক্তির পাঠানো ক্ষুদে বার্তা ও মুঠোফোনে বিষয়টি জানতে পারেন তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের সম্পদ হিসেবে গাছ কাটার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন ছিল। তাদের দাবি, অনুমোদন ছাড়া গাছ কাটার বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত কারণ ও গাছ বিক্রির প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখা হোক।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের সম্পদ রক্ষায় দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনসম্মুখে প্রকাশেরও দাবি জানান তারা।