ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কোর্টের বাথরুমে টাকা আদায়ের অভিযোগ, নেপথ্যে খুরশিদ আলম
- আপডেট সময় : ১১:২৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণের সাধারণ বাথরুম ব্যবহার করতে গিয়ে বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত এসব বাথরুমে লোক বসিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।
অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা বার কাউন্সিলের সদস্য খুরশিদ আলমের প্রভাববলয়ে থাকা ব্যক্তিদের মাধ্যমে আদালত প্রাঙ্গণের এসব বাথরুমে লোক বসিয়ে টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে খুরশিদ আলমের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
প্রতিদিন বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজার হাজার মানুষ আসেন। তাদের মধ্যে বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী, মামলার সাক্ষী, স্বজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ রয়েছেন। আদালত প্রাঙ্গণে থাকা সাধারণ বাথরুমগুলো ব্যবহারের ক্ষেত্রে টাকা নেওয়ার কোনো বৈধ ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানান, বাথরুম ব্যবহারের সময় তাদের কাছে টাকা দাবি করা হয়। কেউ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হয়রানির ঘটনাও ঘটে। তাদের ভাষ্য, আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে শৌচাগার ব্যবহারের মতো মৌলিক সুবিধার জন্য এভাবে টাকা নেওয়া অত্যন্ত বিব্রতকর।
এ ঘটনায় আদালতে আসা আইনজীবীদের মধ্যেও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অভিযোগ, আদালত প্রাঙ্গণে কোনো সেবা বা সুবিধার নামে অননুমোদিতভাবে টাকা আদায় করা হলে তা শুধু সাধারণ মানুষের ভোগান্তিই বাড়ায় না, বিচার বিভাগের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন করে।
আইনজীবীদের একটি অংশের দাবি, বাথরুমগুলোতে কারা লোক বসিয়েছে, কার অনুমতিতে টাকা নেওয়া হচ্ছে এবং সংগৃহীত অর্থ কোথায় যাচ্ছে—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে আদালত প্রাঙ্গণের বাথরুমগুলোতে অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ সত্য হলে তা দ্রুত বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।





















