সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল বন্দরে ভারত-মিয়ানমারের ইলিশের ঢল, ৫০০ টাকার মাছ বিক্রি হচ্ছে ১,৪০০–১,৮০০ টাকায় বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত বীরগঞ্জে পুলিশের সহায়তায় সৌদি প্রবাসীর হারানো ব্যাগ ও পাসপোর্ট উদ্ধার জাকারিয়া পিন্টু ও সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন শাহজাদপুরে যুব কণ্ঠ সোসাইটির উদ্যোগে ১,৩৪৬ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ দুর্নীতি-জ্বালানি অব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির প্রতিবাদে সমাজতান্ত্রিক দলের মানববন্ধন বীরগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীর ৬ মাসের কারাদণ্ড দেবিদ্বারে মাদকসহ হানিট্র্যাপ চক্রের ‘লেডি ডন’ লাইলি আটক ইনসাফপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক মুক্তিতে যাকাত ব্যবস্থার বিকল্প নেই: ড. শামসুল আলম বীরগঞ্জ থানায় পুলিশ সুপারের আকস্মিক পরিদর্শন

বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

মনির হোসেন, বেনাপোল, শার্শা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৫২৮ বার পড়া হয়েছে

পণ্য অপসারণে অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

 

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। পরে রবিবার সকালে আদেশটি বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছায়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-২-এর দায়িত্বে থাকাকালে গত ২ জুন কাস্টমস হাউস, বেনাপোলের একটি ম্যানিফেস্টের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য চালানের কায়িক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়।
অভিযোগ রয়েছে, পণ্যগুলো বেনাপোল স্থলবন্দরের জিম্মায় সংরক্ষিত থাকা অবস্থায় সেগুলো পরিবর্তন করে অবৈধভাবে অপসারণের চেষ্টা করা হয়।
এ ছাড়া গত ৪ জুন বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডের সুরক্ষিত চাবি ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালাল শেড ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর না করে অন্য এক ব্যক্তির কাছে দেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ৬ জুন রাতে ওই শেডে কয়েকজনের অবৈধ প্রবেশ ও পণ্য স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। শেডটির একটি চাবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে সংরক্ষিত থাকার বিষয়টিও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এর আগে একই অভিযোগে ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজী রতনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ২০০৪-এর বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভাগীয় মামলার তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা সমীচীন নয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী কাজী রতনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধিমোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

 

ট্যাগস :

বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পণ্য অপসারণে অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

 

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। পরে রবিবার সকালে আদেশটি বেনাপোল স্থলবন্দরে পৌঁছায়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-২-এর দায়িত্বে থাকাকালে গত ২ জুন কাস্টমস হাউস, বেনাপোলের একটি ম্যানিফেস্টের মাধ্যমে আমদানিকৃত পণ্য চালানের কায়িক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়।
অভিযোগ রয়েছে, পণ্যগুলো বেনাপোল স্থলবন্দরের জিম্মায় সংরক্ষিত থাকা অবস্থায় সেগুলো পরিবর্তন করে অবৈধভাবে অপসারণের চেষ্টা করা হয়।
এ ছাড়া গত ৪ জুন বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডের সুরক্ষিত চাবি ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালাল শেড ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর না করে অন্য এক ব্যক্তির কাছে দেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ৬ জুন রাতে ওই শেডে কয়েকজনের অবৈধ প্রবেশ ও পণ্য স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। শেডটির একটি চাবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে সংরক্ষিত থাকার বিষয়টিও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এর আগে একই অভিযোগে ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজী রতনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ২০০৪-এর বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভাগীয় মামলার তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা সমীচীন নয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী কাজী রতনকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধিমোতাবেক খোরাকি ভাতা পাবেন বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।