সংবাদ শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একাধিক ওয়ারেন্টের পরও রফিকুল মুক্তি, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ভরণপোষণ না দেওয়া ও হত্যার হুমকি, যশোরে ছেলের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা দেবিদ্বারে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিজন সাহা গ্রেপ্তার বীরগঞ্জে কে এফ টি কবিরাজহাট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন তেলের পরিমাপে কারচুপি ও মজুত প্রতিরোধে জয়পুরহাটে অভিযান দেবিদ্বারে সরকারি সার ডিলার প্রস্তাবে ছাত্রলীগ নেতার নাম, এলাকায় সমালোচনা বিটিআরসির সামনে ৫% পাওনা দাবিতে সাবেক গ্রামীণফোন শ্রমিকরা ইসলামী ব্যাংকের সংকট নিরসন ও পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনের দাবিতে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ দিনাজপুরের  বীরগঞ্জে নারী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ১৭তম প্রয়াণ দিবসে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

বিটিআরসির সামনে ৫% পাওনা দাবিতে সাবেক গ্রামীণফোন শ্রমিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১১:৪২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২৬০৬ বার পড়া হয়েছে
dailydinlipi24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

১৬ বছরের পাওনার অপেক্ষা, ২১ মাসের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন: বিটিআরসির সামনে সাবেক গ্রামীণফোন শ্রমিকরা

২০১০-২০১২ সালের Workers’ Profit Participation Fund (WPPF) ও Workers’ Welfare Fund (WWF)-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত আইনগত পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন গ্রামীণফোন লিমিটেডের সাবেক শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সাবেক শ্রমিকরা দীর্ঘদিনের পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তি, বিষয়টির বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কার্যকর আলোচনার দাবি জানান।
সাবেক শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১০-২০১২ সালের WPPF ও WWF-এর মূল পাওনা পরবর্তীতে পরিশোধ করা হলেও, দীর্ঘ সময় অর্থ আটকে থাকার কারণে তাঁদের প্রাপ্য ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত আইনগত পাওনা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় ৪ হাজার ৩০০ জন বেনিফিশিয়ারি এ পাওনা-সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন শ্রম আদালতে পৃথক মামলা করেছেন এবং সংগঠনের সঙ্গে লিখিত সম্মতির মাধ্যমে বর্তমানে প্রায় ৭৫০ জন সাবেক শ্রমিক যুক্ত রয়েছেন।

 

আন্দোলনকারীরা জানান, ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাঁরা তাঁদের দাবির কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরছেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে অনিষ্পন্ন থাকা বিষয়টির আইনসম্মত, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর আলোচনায় বসতে হবে।

এর আগে ২৯ জুলাই ২০২৬ বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে WPPF ও WWF-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা নিষ্পত্তিতে বিটিআরসির সমন্বয়মূলক ভূমিকা কামনা করেন সাবেক শ্রমিকরা।
স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট বিটিআরসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিটিআরসির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। প্রতিনিধি দলে মহাপরিচালক আশিষ কুমার কুন্ডু এবং পরিচালক (লিগ্যাল) তারেক হাসান সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

বৈঠকে সাবেক শ্রমিকদের দাবির প্রকৃতি, আইনগত ভিত্তি, বেনিফিশিয়ারির সংখ্যা, দীর্ঘদিনের আন্দোলন, চলমান মামলা এবং সম্ভাব্য সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দাবির বিস্তারিত বিবরণ ও প্রস্তাব লিখিতভাবে উপস্থাপনের জন্য তাঁদের অনুরোধ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে ২০১০-২০১২ সালের WPPF ও WWF-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা নিষ্পত্তির বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে আইনগত ও ঐতিহাসিক পটভূমি, সংশ্লিষ্ট বেনিফিশিয়ারি, পাওনা নির্ধারণের বিষয়, চলমান মামলাসমূহ এবং সম্ভাব্য সমাধানের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৫ সেপ্টেম্বর কর্মসূচি পালনের পূর্বঘোষণা থাকলেও পরবর্তীতে তা স্থগিত করা হয়। বিটিআরসির সঙ্গে পূর্ববর্তী বৈঠক ও দাখিল করা প্রতিবেদনের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে সরাসরি জানতে ২২ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

 

কর্মসূচি থেকে সাবেক শ্রমিকরা জানতে চান—২৯ জুলাইয়ের স্মারকলিপির পর বিটিআরসি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, ১১ আগস্টের বৈঠকের পর বিষয়টি বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, ১৪ সেপ্টেম্বর দাখিল করা বিস্তারিত প্রতিবেদনের বিষয়ে কী কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে এবং ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা নিষ্পত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।

 

একই সঙ্গে বিটিআরসি, গ্রামীণফোন এবং সাবেক শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কার্যকর আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। আইন অনুযায়ী প্রকৃত পাওনা নির্ধারণের জন্য স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হিসাব প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনার ব্যবস্থারও দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

 

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের এ বিষয়টি আর অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা উচিত নয়। তাঁরা কোনো সংঘাত চান না; আলোচনার মাধ্যমে আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান চান।

 

তাঁদের ভাষায়, “আমরা কোনো বিরোধ বাড়াতে চাই না; আমরা বিরোধের অবসান চাই। আমরা আইনসম্মত ও ন্যায্য সমাধান চাই। ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে একটি নির্দিষ্ট ও কার্যকর সমাধানের পথ তৈরি করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”

 

গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সদিচ্ছা, স্বচ্ছ আলোচনা এবং আইনগত কাঠামোর মধ্যে বাস্তবসম্মত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হলে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ তৈরি করা সম্ভব।

 

ট্যাগস :

বিটিআরসির সামনে ৫% পাওনা দাবিতে সাবেক গ্রামীণফোন শ্রমিকরা

আপডেট সময় : ১১:৪২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৬ বছরের পাওনার অপেক্ষা, ২১ মাসের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন: বিটিআরসির সামনে সাবেক গ্রামীণফোন শ্রমিকরা

২০১০-২০১২ সালের Workers’ Profit Participation Fund (WPPF) ও Workers’ Welfare Fund (WWF)-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত আইনগত পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন গ্রামীণফোন লিমিটেডের সাবেক শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি কার্যালয়ের সামনে ‘গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মসূচিতে সাবেক শ্রমিকরা দীর্ঘদিনের পাওনা দ্রুত নিষ্পত্তি, বিষয়টির বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে কার্যকর আলোচনার দাবি জানান।
সাবেক শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১০-২০১২ সালের WPPF ও WWF-এর মূল পাওনা পরবর্তীতে পরিশোধ করা হলেও, দীর্ঘ সময় অর্থ আটকে থাকার কারণে তাঁদের প্রাপ্য ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত আইনগত পাওনা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রায় ৪ হাজার ৩০০ জন বেনিফিশিয়ারি এ পাওনা-সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন শ্রম আদালতে পৃথক মামলা করেছেন এবং সংগঠনের সঙ্গে লিখিত সম্মতির মাধ্যমে বর্তমানে প্রায় ৭৫০ জন সাবেক শ্রমিক যুক্ত রয়েছেন।

 

আন্দোলনকারীরা জানান, ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাঁরা তাঁদের দাবির কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরছেন। তাঁদের দাবি, দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে অনিষ্পন্ন থাকা বিষয়টির আইনসম্মত, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কার্যকর আলোচনায় বসতে হবে।

এর আগে ২৯ জুলাই ২০২৬ বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে WPPF ও WWF-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা নিষ্পত্তিতে বিটিআরসির সমন্বয়মূলক ভূমিকা কামনা করেন সাবেক শ্রমিকরা।
স্মারকলিপির পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট বিটিআরসি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাঁদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিটিআরসির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। প্রতিনিধি দলে মহাপরিচালক আশিষ কুমার কুন্ডু এবং পরিচালক (লিগ্যাল) তারেক হাসান সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

বৈঠকে সাবেক শ্রমিকদের দাবির প্রকৃতি, আইনগত ভিত্তি, বেনিফিশিয়ারির সংখ্যা, দীর্ঘদিনের আন্দোলন, চলমান মামলা এবং সম্ভাব্য সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে দাবির বিস্তারিত বিবরণ ও প্রস্তাব লিখিতভাবে উপস্থাপনের জন্য তাঁদের অনুরোধ করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিটিআরসি চেয়ারম্যানের কাছে ২০১০-২০১২ সালের WPPF ও WWF-সংক্রান্ত ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা নিষ্পত্তির বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করে সংগঠনটি। প্রতিবেদনে আইনগত ও ঐতিহাসিক পটভূমি, সংশ্লিষ্ট বেনিফিশিয়ারি, পাওনা নির্ধারণের বিষয়, চলমান মামলাসমূহ এবং সম্ভাব্য সমাধানের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১৫ সেপ্টেম্বর কর্মসূচি পালনের পূর্বঘোষণা থাকলেও পরবর্তীতে তা স্থগিত করা হয়। বিটিআরসির সঙ্গে পূর্ববর্তী বৈঠক ও দাখিল করা প্রতিবেদনের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে সরাসরি জানতে ২২ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

 

কর্মসূচি থেকে সাবেক শ্রমিকরা জানতে চান—২৯ জুলাইয়ের স্মারকলিপির পর বিটিআরসি কী পদক্ষেপ নিয়েছে, ১১ আগস্টের বৈঠকের পর বিষয়টি বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, ১৪ সেপ্টেম্বর দাখিল করা বিস্তারিত প্রতিবেদনের বিষয়ে কী কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে এবং ৫ শতাংশ বিলম্বজনিত পাওনা নিষ্পত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে।

 

একই সঙ্গে বিটিআরসি, গ্রামীণফোন এবং সাবেক শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কার্যকর আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। আইন অনুযায়ী প্রকৃত পাওনা নির্ধারণের জন্য স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হিসাব প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র পর্যালোচনার ব্যবস্থারও দাবি জানান আন্দোলনকারীরা।

 

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের এ বিষয়টি আর অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা উচিত নয়। তাঁরা কোনো সংঘাত চান না; আলোচনার মাধ্যমে আইনসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সমাধান চান।

 

তাঁদের ভাষায়, “আমরা কোনো বিরোধ বাড়াতে চাই না; আমরা বিরোধের অবসান চাই। আমরা আইনসম্মত ও ন্যায্য সমাধান চাই। ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে একটি নির্দিষ্ট ও কার্যকর সমাধানের পথ তৈরি করাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।”

 

গ্রামীণফোন ৫% বিলম্ব বকেয়া আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সদিচ্ছা, স্বচ্ছ আলোচনা এবং আইনগত কাঠামোর মধ্যে বাস্তবসম্মত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হলে দীর্ঘদিনের এ সমস্যার একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ তৈরি করা সম্ভব।