জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- আপডেট সময় : ১১:১৫:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২৫৯০ বার পড়া হয়েছে
জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
সাবেক পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে , জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগ
সাবেক পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা
ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের দোসর, ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘রাতের ভোটের কারিগর’, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মামলা-হামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া বরিশাল জেলার সাবেক পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে , চাঁদাবাজি, জমি দখল, ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী।
সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার, অবৈধভাবে দখল করা জমি দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে হয়রানি ও চাপ প্রয়োগ বন্ধের দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম বিপিএম, বিপি নং-৭৮০৬১১০৭৪৩, বর্তমানে সংযুক্ত রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি অফিস; পূর্বে পুলিশ সুপার, বরিশাল জেলা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
এছাড়া পুলিশ পরিদর্শক (সশস্ত্র) শ্রী সুবিমল চন্দ্র ঢালী, পুলিশ পরিদর্শক মোঃ আসাদুজ্জামান/মাসুদুজ্জামান, সাবেক ওসি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক ওসি আমানুল্লাহ আল-বারী, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, এসআই মোঃ মাজেদুল ইসলাম, কনস্টেবল মোঃ স্বপন, নায়েক মোঃ মোকলেছ, কনস্টেবল মোঃ ইমাম হাসান, মোঃ ইমন খান, রাশেদুল ইসলাম ও মোঃ জামাল হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, তার নিজ নামে থাকা বরিশাল নগরীর লাইন রোডস্থ জমির তফসিল হলো—জেএল নং-৫০, মৌজা-বগুড়া আলেকান্দা, এসএ খতিয়ান নং-৭৫৯১, আরএস খতিয়ান নং-৩৫৬৯, বিএস খতিয়ান নং-৫৫৫৮, ডিপি-৭০৮, এসএ দাগ নং-৩৮৫৫ এবং জমির পরিমাণ ৫ শতাংশ। জমিটি লাইন রোডস্থ বাকেরগঞ্জ সার্কেল অফিসের দক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ওই ৫ শতাংশ জমি বিক্রির প্রস্তাব দিলে মোঃ আবুল বাসার, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ সাদিকুর রহমান, শাহনাজ পারভীন, আয়শা আক্তার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ হুমায়ুন কবীর, সহিদুল ইসলাম ও তানভীর হক সরদার—মোট ৯ জন জমিটি ক্রয় করতে রাজি হন। জমিটি আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে বন্ধক থাকায় ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করে রিডেমশনের মাধ্যমে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে বরিশাল সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল নং-২৩৭৪ মূলে তাদের নামে সাব-কবলা দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়। পরবর্তীতে নামজারি মামলা নং-১৬৯৬৮/২০২২-২০২৩ মূলে নয় ক্রেতার নামে খতিয়ান সৃজন হয় এবং খতিয়ান নং-২৫৫৬০-এ তাদের অংশানুযায়ী রেকর্ড সংশোধন করা হয় বলে দাবি করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, চলাচলের পথ নিয়ে সমস্যার কারণে ভুক্তভোগী এর আগে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাকেরগঞ্জ সার্কেল অফিসার মোঃ আনোয়ার সাঈদ স্মারক নং-বাকেরগঞ্জ সার্কেল অফিস/৬০, তারিখ ৩১ মে ২০১৯ মূলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
পরবর্তীতে ৬ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে জমি মাপার জন্য আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা পুলিশ সুপার স্মারক নং-পুঃআঃবরিঃ (প্রশাঃ)/২০২৪/৭০৩/ই, তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ মূলে নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, বরিশালের কাছে জমির ম্যাপ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য চিঠি দেন বলে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখে নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, বরিশালের কাছে এবং ৫ মার্চ ২০২৪ তারিখে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়রের কাছে জমি মাপার আবেদন করা হয়। পরবর্তীতে সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি শাখার স্মারক নং-বিসিসি/সম্পত্তি/২০২৪/২২২, তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সকাল ১০টায় জমি পরিমাপের সময় নির্ধারণ করা হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, নির্ধারিত সময়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সার্ভেয়ার, গণপূর্ত বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সরকারি গেজেট ও এলএ নকশা অনুযায়ী জমি পরিমাপ করা হয়। পরিমাপ শেষে জমির সীমানা নির্ধারণ করে চারদিকে সীমানা পিলার স্থাপন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, এর পরদিন ২৮ মে ২০২৪ তারিখে জেলা পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামের বরাদ্দ দিয়ে প্রধান সহকারী মোঃ মফিজুর রহমান ভুক্তভোগী ও কয়েকজন ক্রেতাকে দেখা করতে বলেন। সেখানে জমি ভোগদখল করতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, ওই সময় জমি ভোগদখল ও রাস্তার সমস্যা সমাধানের জন্য পুলিশ সুপারকে ১০ লাখ টাকা এবং একটি ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ক্রেতারা ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরদিন ২৯ মে ২০২৪ তারিখে অভিযুক্ত ব্যক্তিসহ স্থানীয় প্রায় ১০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি জমিতে গিয়ে সীমানা পিলার তুলে ফেলেন এবং ঘর নির্মাণের জন্য রাখা কাঠ ও অন্যান্য মালামাল, যার আনুমানিক মূল্য এক লাখ টাকা, নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়। একইসঙ্গে ভুক্তভোগীকে থানায় ডেকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো এবং ‘ক্রসফায়ারে’ মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও লিখিত বক্তব্যে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া জমির দক্ষিণ-পূর্ব দিকে চলাচলের জন্য থাকা দুটি পথ দেয়াল নির্মাণ করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, ১০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ক্রেতাদের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য দেয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করতে গেলে অভিযুক্তরা স্থানীয় আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে অস্ত্রশস্ত্রসহ সেখানে উপস্থিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তারা জমির কাগজপত্র দেখতে চান এবং কাগজপত্রের ফটোকপি নিয়ে যান। এ সময় ‘এসপি স্যারের প্রস্তাব না মানলে আরও সমস্যা হবে’ বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
পরবর্তীতে ১৫ আগস্ট ২০২৪ রাত আনুমানিক ৯টার দিকে উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি এএসপি সার্কেল মোঃ সাফিপুর রহমানকে জমির সব কাগজপত্র দেখান। এ সময় এএসপি সার্কেল জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলেন এবং তিন দিনের সময় নিয়ে গণপূর্ত বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে জমি পরিমাপ করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
কিন্তু ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ওই বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি ও তার নয়জন ক্রেতার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটির মামলা নং-২১, তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২৪ এবং কোতোয়ালি মডেল থানার মামলা নং-৫৪৭/২০২৪ হিসেবে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪০, ৪৪৭ ও ৩৭৯ ধারার কথা বলা হয়।
ভুক্তভোগী আরও জানান, মামলার বিষয়ে জানতে পেরে ১৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তিনি ও ক্রেতারা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেন এবং আগাম জামিন লাভ করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অভিযোগ
লিখিত বক্তব্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ মাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়। ভুক্তভোগীর দাবি, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ না করে দীর্ঘ সময় পর সুবিধা গ্রহণ ও প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের প্রভাবে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা চার্জশিট দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, চার্জশিটে গণপূর্ত বিভাগের ৪৫ দশমিক ৪০ শতাংশ জমি এবং বিবাদীদের ৫ শতাংশ জমির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার সাক্ষীদের ১৬১ ধারার জবানবন্দিতেও জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, মামলার চার্জশিট, অডিও কল রেকর্ড এবং অন্যান্য নথি তাদের কাছে রয়েছে এবং এসব নথি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়েছে।
পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলাম বরিশালে কর্মরত থাকার সময় বিভিন্ন সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার, বদলি-বাণিজ্য, অর্থ আদায় এবং জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রভাব খাটিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গুরুতর অভিযোগও করা হয়।
তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র তদন্ত ও প্রমাণ যাচাই প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
২ নম্বর অভিযুক্ত শ্রী সুবিমল চন্দ্র ঢালীর বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা এবং জুনিয়র পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ করা হয়েছে।
৩ নম্বর অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালনকালে প্রভাব খাটানো, ঘুষ-বাণিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
৬ নম্বর অভিযুক্ত মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধেও পুলিশ সুপারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও ব্যক্তিগত আর্থিক অনিয়ম ও ঘুষ প্রদানের অভিযোগ করা হলেও এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই প্রয়োজন।
জমি দখল ও নির্মাণকাজে বাধার অভিযোগ
ভুক্তভোগী বলেন, বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও তাদের জমিতে দেয়াল নির্মাণ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। নির্মাণকাজে ব্যবহৃত ইট, বালু, সিমেন্ট, রডসহ বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।
তার দাবি, জমিটি গণপূর্ত বিভাগের ডিজিটাল প্ল্যানের বাইরে দক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত। গণপূর্ত বিভাগের নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর তাদের সীমানা দেয়াল নির্মাণের সুযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অন্যের জমির ওপর দেয়াল নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমিকে সরকারি পুলিশের জমি হিসেবে উপস্থাপন করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের এবং জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
চার দফা দাবি
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়—
১. হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
২. অবৈধভাবে দখল করা জমি দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।
৩. উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে সঠিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে হয়রানি ও চাপ প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী এসব অভিযোগের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।


















