সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তির দাবি
- আপডেট সময় : ১১:৪৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২৫২১ বার পড়া হয়েছে
দাবি না মানলে সারাদেশে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ করে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি
বাংলাদেশের সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ নন-এমপিও (বেতনবিহীন) শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান—স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি, ডিগ্রি, অনার্স ও মাস্টার্স—একযোগে এমপিওভুক্ত করার দাবিতে সকল জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মুজিবুর রহমান (এমপি), সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মো. আতিকুর রহমান মুজাহিদ (এমপি), সদস্য, শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিবর্গও সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ সামিয়া জামান পান্না।
বক্তারা বলেন, দেশে বর্তমানে ৫ হাজার ৩৩২টি নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৮ হাজার শিক্ষক-কর্মচারী বছরের পর বছর বিনা বেতনে শিক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত থেকে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
তারা বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার রক্ষায় সকল স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবিলম্বে এমপিওভুক্ত করা সময়ের দাবি।
বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণের জন্য আকুল আবেদন জানান।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ইব্রাহিম খলিল, অধ্যক্ষ, রেলওয়ে হাফিজিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা, মতিঝিল।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত এই যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটাবে।
শিক্ষক নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, তাদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে এবং সরকার এ বিষয়ে কোনো ধরনের কর্ণপাত না করলে সারাদেশে একযোগে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ করে রাজপথে নেমে আসা হবে। প্রয়োজনে কঠোর থেকে কঠোরতর লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।


























