যশোরের শার্শায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন, ভাঙচুর করা হয়েছে কয়েকটি বাড়িঘর।
শার্শায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলিবর্ষণ, আহত ৬
- আপডেট সময় : ০৫:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২৫১৮ বার পড়া হয়েছে
শার্শায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গুলিবর্ষণ, আহত ৬
মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার কন্যাদাহ গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। একই সময় কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কন্যাদাহ গ্রামের গাইনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আশানুর ও শহীদ আলীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ৩০ জনের একটি দল এলাকায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় গুলিবর্ষণ ও কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ছয়জন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
আহতরা হলেন—কন্যাদাহ গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ গাইনের ছেলে শরিফুল ইসলাম বকুল (৩০), মৃত মতি গাইনের ছেলে শাহ আলম গাইন (৫০), খলিল গাইনের ছেলে আব্দুল্লাহ গাইন (২০), আকবর আলীর ছেলে আকাশ হোসেন (১৪), হাসেম গাইনের ছেলে মিটু গাইন (৩০) এবং শরিফুল ইসলাম বকুলের ছেলে শাকিল গাইন (১৫)।
এ ছাড়া গাইনপাড়ার বাবু গাইন, ইয়ানুর গাইন ও আনারুল গাইনের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে নাভারণ ‘ক’ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
ঘটনার বিষয়ে কন্যাদাহ গ্রামের হাসানুজ্জামান হাসান গাইন বাদী হয়ে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় মামলা করেছেন।
মামলার বাদী হাসানুজ্জামান হাসান গাইন অভিযোগ করে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে আশানুর ও শহীদ আলীর নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে গাইনপাড়ায় হামলা চালায়। এ সময় শটগান ও পিস্তল দিয়ে গুলি ছোড়া হয়। এতে ছয়জন গুরুতর আহত হন। পাশাপাশি কয়েকটি বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে বলে তিনি দাবি করেন।
তবে ঘটনার পরপরই কোনো অস্ত্র উদ্ধার বা কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
নাভারণ ‘ক’ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন বলেন, কন্যাদাহ গ্রামের ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

























