সংবাদ শিরোনাম ::
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে এনডিএফের বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব জুলাই স্মরণে সম্মিলিত নারী প্রয়াসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজ বৃদ্ধ দরবেশ আলীর সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ, নন এমপিও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিবাদ গ্রামীণফোনের সাবেক শ্রমিকদের ১৬ বছরের পাওনা পরিশোধের দাবিতে জাতীয় শ্রমিক প্রতিবাদ সমাবেশ প্রাণিসম্পদ খাতে মাঠপর্যায়ে স্থায়ী নিয়োগের দাবিতে এলএসপিদের বিক্ষোভ সমাবেশ অসহায় শিশুদের মুখে হাসি: ৬০ নং ওয়ার্ডে বিনামূল্যে সুন্নাতে খাতনা কর্মসূচি দেবিদ্বারে আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে এনসিপি নেতার বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম ও এস. এম. আবদুল্লাহর স্মরণে নাগরিক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

জহির মারুফ, কুমিল্লা
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

 

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফের বৈঠকের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হেনস্তার শিকার হয়েছেন সচিব আবু হানিফ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেবিদ্বারে সংঘটিত আবদুর রাজ্জাক রুবেল ও স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেন হত্যা মামলাসহ তিনটি হত্যা ও মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া মোট পাঁচটি মামলার আসামি ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মাসুদ।

 

অভিযোগ রয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পর চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় আট মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। সম্প্রতি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যান পরিষদে না এসে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবু হানিফকে নিজ বাসভবনে ডেকে বৈঠক করেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে হেনস্তা করে।

 

 

এদিকে চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ বলেন, “আমি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। সচিব আমার বাসা থেকে পরিষদে যাওয়ার পর তার ওপর হামলার খবর শুনেছি।”
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফ বলেন, “আমার অফিস কক্ষে এসে আমাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।”
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

 

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

আপডেট সময় : ০৯:২০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

 

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফের বৈঠকের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হেনস্তার শিকার হয়েছেন সচিব আবু হানিফ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেবিদ্বারে সংঘটিত আবদুর রাজ্জাক রুবেল ও স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেন হত্যা মামলাসহ তিনটি হত্যা ও মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া মোট পাঁচটি মামলার আসামি ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মাসুদ।

 

অভিযোগ রয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পর চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় আট মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। সম্প্রতি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যান পরিষদে না এসে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবু হানিফকে নিজ বাসভবনে ডেকে বৈঠক করেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে হেনস্তা করে।

 

 

এদিকে চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ বলেন, “আমি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। সচিব আমার বাসা থেকে পরিষদে যাওয়ার পর তার ওপর হামলার খবর শুনেছি।”
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফ বলেন, “আমার অফিস কক্ষে এসে আমাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।”
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।