সংবাদ শিরোনাম ::
৩০০ সিগারেটে কাটা হয় একটি গাছ, মমতাজ বেগম বিশ্ববিদ্যালয়ে তামাকবিরোধী সেমিনার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে আলমগীর হোসেন প্রধানকে চান এলাকাবাসী এক পলকের কাব্য: প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম ‘এক পলকের কাব্য’ নিয়ে জাগ্রত সাহিত্য পরিষদের বর্ণাঢ্য সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত সুরের মোহনায় মুগ্ধতা, কণ্ঠশিল্পী মিরাজ কে ঘিরে জমকালো আয়োজন ন্যায্য পাওনার দাবিতে বিডা কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিলেন গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তারা প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ১৪তম FACD-CAB আন্তর্জাতিক শিক্ষা এক্সপো আয়োজনে খান আক্তারুজ্জামান দেবিদ্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ২টি অবৈধ ড্রেজার বিনষ্ট, মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড জাতীয় সংহতি ও সমঅধিকারের দাবিতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের সমাবেশ এসবি প্রধান বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পরিদর্শন

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

জহির মারুফ, কুমিল্লা
  • আপডেট সময় : ০৯:২০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

 

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফের বৈঠকের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হেনস্তার শিকার হয়েছেন সচিব আবু হানিফ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেবিদ্বারে সংঘটিত আবদুর রাজ্জাক রুবেল ও স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেন হত্যা মামলাসহ তিনটি হত্যা ও মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া মোট পাঁচটি মামলার আসামি ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মাসুদ।

 

অভিযোগ রয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পর চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় আট মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। সম্প্রতি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যান পরিষদে না এসে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবু হানিফকে নিজ বাসভবনে ডেকে বৈঠক করেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে হেনস্তা করে।

 

 

এদিকে চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ বলেন, “আমি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। সচিব আমার বাসা থেকে পরিষদে যাওয়ার পর তার ওপর হামলার খবর শুনেছি।”
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফ বলেন, “আমার অফিস কক্ষে এসে আমাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।”
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

 

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

আপডেট সময় : ০৯:২০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সচিবের বৈঠকের অভিযোগে উত্তেজনা, হেনস্তার শিকার সচিব

 

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে হত্যা মামলার আসামি চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফের বৈঠকের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হেনস্তার শিকার হয়েছেন সচিব আবু হানিফ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

 

স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেবিদ্বারে সংঘটিত আবদুর রাজ্জাক রুবেল ও স্কুলছাত্র সাব্বির হোসেন হত্যা মামলাসহ তিনটি হত্যা ও মারামারির ঘটনায় দায়ের হওয়া মোট পাঁচটি মামলার আসামি ফতেহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মাসুদ।

 

অভিযোগ রয়েছে, সরকার পরিবর্তনের পর চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ আত্মগোপনে চলে যান। পরে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় আট মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। সম্প্রতি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

 

 

স্থানীয়দের ভাষ্য, চেয়ারম্যান পরিষদে না এসে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবু হানিফকে নিজ বাসভবনে ডেকে বৈঠক করেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে সচিবের কক্ষে প্রবেশ করে তাকে হেনস্তা করে।

 

 

এদিকে চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মাসুদ বলেন, “আমি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। সচিব আমার বাসা থেকে পরিষদে যাওয়ার পর তার ওপর হামলার খবর শুনেছি।”
ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) আবু হানিফ বলেন, “আমার অফিস কক্ষে এসে আমাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।”
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।