সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্প-প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণের বিরোধিতা, জাতীয় শিল্প রক্ষার আহ্বান মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কুমিল্লায় সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে মাসাস ও সাংবাদিক ইউনিয়নের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রামীণফোনের শ্রমিকদের ১৬ বছরের আইনগত পাওনা পরিশোধের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে প্রতিবাদ সমাবেশ কেরানীগঞ্জে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, জাবেদের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন ১০ দফা দাবিতে ২৫ জুলাই সুন্নী মহাসমাবেশ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের সমন্বিত নীতিমালা ও স্থায়ী সমাধানের দাবিতে গোলটেবিল বৈঠক গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন গ্রামীণফোনের  সাবেক শ্রমিকদের ১৬ বছরের আইনগত পাওনা পরিশোধ,এর দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন গ্রামীণফোনের  সাবেক শ্রমিকদের ১৬ বছরের আইনগত পাওনা পরিশোধ,এর দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্প-প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণের বিরোধিতা, জাতীয় শিল্প রক্ষার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬ ৩৮ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল, পাটকলসহ ৪৪টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিমালিকানায় ইজারা বা বিক্রির উদ্যোগের অভিযোগ তুলে এর তীব্র বিরোধিতা করেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। সংগঠনটির দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের মালিকানায় রেখে আধুনিকায়ন, বিনিয়োগ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদনশীল করা সম্ভব। তাই কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প-প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণ করা উচিত নয়।

 

 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীতে প্রচারিত এক লিফলেটে সংগঠনটি অভিযোগ করে, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প বিক্রি বা ইজারা দেওয়া হলে জাতীয় শিল্পের ভিত্তি দুর্বল হবে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে এবং অল্পসংখ্যক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী লাভবান হবে। তাদের মতে, অতীতেও বিভিন্ন শিল্প বন্ধ ও বেসরকারিকরণের ফলে শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং দেশের শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
লিফলেটে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—শিল্পের আধুনিকায়নে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ, দুর্নীতি দমন, শিল্প ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, জাতীয় বাজেটে শিল্পখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান এবং শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা।
এছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারিকরণের বিরোধিতা এবং কয়েকটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তি পুনর্বিবেচনা বা বাতিলের দাবিও জানানো হয়।

 

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রকাশ করে সেগুলো ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তরের যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

 

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪ শিল্প-প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণের বিরোধিতা, জাতীয় শিল্প রক্ষার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল, পাটকলসহ ৪৪টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিমালিকানায় ইজারা বা বিক্রির উদ্যোগের অভিযোগ তুলে এর তীব্র বিরোধিতা করেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। সংগঠনটির দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের মালিকানায় রেখে আধুনিকায়ন, বিনিয়োগ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে উৎপাদনশীল করা সম্ভব। তাই কোনো অবস্থাতেই রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প-প্রতিষ্ঠান বেসরকারিকরণ করা উচিত নয়।

 

 

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাজধানীতে প্রচারিত এক লিফলেটে সংগঠনটি অভিযোগ করে, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প বিক্রি বা ইজারা দেওয়া হলে জাতীয় শিল্পের ভিত্তি দুর্বল হবে, কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে এবং অল্পসংখ্যক ব্যবসায়ী গোষ্ঠী লাভবান হবে। তাদের মতে, অতীতেও বিভিন্ন শিল্প বন্ধ ও বেসরকারিকরণের ফলে শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং দেশের শিল্পায়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
লিফলেটে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে কয়েকটি সুপারিশ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—শিল্পের আধুনিকায়নে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ, দুর্নীতি দমন, শিল্প ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, জাতীয় বাজেটে শিল্পখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান এবং শিল্পে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা।
এছাড়া বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বেসরকারিকরণের বিরোধিতা এবং কয়েকটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক চুক্তি পুনর্বিবেচনা বা বাতিলের দাবিও জানানো হয়।

 

রাষ্ট্রায়ত্ত ৪৪টি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের একটি তালিকা প্রকাশ করে সেগুলো ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তরের যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।