সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের শার্শায় ৩২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপে বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান লিটনের আর্থিক অনুদান শৈশবের শিক্ষা ও সংস্কার সারা জীবন পথ দেখায়: এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার জব্দ দিনাজপুর জেলা তাঁতী দলের ৮১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন, সভাপতি রেজাউল সম্পাদক হাসিনুর রহমান হাসু বাঘায় মানবসেবায় প্রশংসিত যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন বারবার গ্রেপ্তারের পরও মাদক কারবারের অভিযোগ, লালপুরে উদ্বেগ বেনাপোল বন্দরে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগ, ঢাকায় জব্দ: তদন্তের দাবি আখাউড়ায় ৪ কেজি গাঁজাসহ দুই আসামি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে হুজরাপুর উৎসব ক্লাবের মশক নিধন কার্যক্রম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে মদ-সিরাপ জব্দ করেছে ৫৩ বিজিবি

বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার জব্দ

রনজিৎ সরকার রাজ, স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৪:০২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৫১৭ বার পড়া হয়েছে
dailydinlipi24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে অবৈধভাবে মজুত করা ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দ করা সারগুলোর সরকারি মূল্য ২ লাখ ৬৭ হাজার ৩০০ টাকা। সারগুলো প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুন।

 

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে গোপন সংবাদ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মাহানপুর হাটের অদূরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা আবেদ আলীর ছেলে ধান-চাল ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের অবৈধভাবে মজুত করা ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মাহানপুর এলাকায় একটি ভাড়া করা গোডাউনে রাখা ছিল। গোডাউনটি আলম হোসেনের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সার মজুতের তথ্য পেয়ে থানা পুলিশ অভিযান চালায়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সারগুলো জব্দ করেন। জব্দ করা সার স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিলীপ রায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) উপজেলা কৃষি অফিস ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সারগুলো বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

 

অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সহযোগিতা করেন। এ সময় বীরগঞ্জ থানার এসআই দীপু রায়সহ পুলিশের একটি দল, ডিআইও হায়দার আলী, ডিএসবি নুর আমিন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র দেবশর্মা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মহসিন আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, কৃষক দলের সভাপতি ও দলিল লেখক বাবুল, গোডাউন মালিক আলম হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংবাদকর্মী ও উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।

 

অভিযান চলাকালে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি খোচাবাড়ী থেকে ২০০ বস্তা টিএসপি সার কিনে এনে গোডাউনে মজুত করার কথা স্বীকার করেন। তবে সার কেনার কোনো প্রমাণপত্র, মেমো বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাঁর কাছে নেই বলে জানান।

 

জব্দ করা সার প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সার বিক্রি ও বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।

 

বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার জব্দ

আপডেট সময় : ০৪:০২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে অবৈধভাবে মজুত করা ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দ করা সারগুলোর সরকারি মূল্য ২ লাখ ৬৭ হাজার ৩০০ টাকা। সারগুলো প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুন।

 

শনিবার (১০ অক্টোবর) সন্ধ্যার আগে গোপন সংবাদ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মাহানপুর হাটের অদূরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা আবেদ আলীর ছেলে ধান-চাল ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেনের অবৈধভাবে মজুত করা ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মাহানপুর এলাকায় একটি ভাড়া করা গোডাউনে রাখা ছিল। গোডাউনটি আলম হোসেনের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সার মজুতের তথ্য পেয়ে থানা পুলিশ অভিযান চালায়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমা খাতুন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সারগুলো জব্দ করেন। জব্দ করা সার স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিলীপ রায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়।

 

নির্দেশনা অনুযায়ী, রোববার (১১ অক্টোবর) উপজেলা কৃষি অফিস ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধানে প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সারগুলো বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

 

অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম সহযোগিতা করেন। এ সময় বীরগঞ্জ থানার এসআই দীপু রায়সহ পুলিশের একটি দল, ডিআইও হায়দার আলী, ডিএসবি নুর আমিন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র দেবশর্মা, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মহসিন আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার, কৃষক দলের সভাপতি ও দলিল লেখক বাবুল, গোডাউন মালিক আলম হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংবাদকর্মী ও উৎসুক জনতা উপস্থিত ছিলেন।

 

অভিযান চলাকালে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি খোচাবাড়ী থেকে ২০০ বস্তা টিএসপি সার কিনে এনে গোডাউনে মজুত করার কথা স্বীকার করেন। তবে সার কেনার কোনো প্রমাণপত্র, মেমো বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তাঁর কাছে নেই বলে জানান।

 

জব্দ করা সার প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে সার বিক্রি ও বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।