সংবাদ শিরোনাম :
যশোরের শার্শায় ৩২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপে বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান লিটনের আর্থিক অনুদান শৈশবের শিক্ষা ও সংস্কার সারা জীবন পথ দেখায়: এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১৯৮ বস্তা টিএসপি সার জব্দ দিনাজপুর জেলা তাঁতী দলের ৮১ সদস্যের কমিটি অনুমোদন, সভাপতি রেজাউল সম্পাদক হাসিনুর রহমান হাসু বাঘায় মানবসেবায় প্রশংসিত যুবদল কর্মী মিজানুর রহমান সুমন বারবার গ্রেপ্তারের পরও মাদক কারবারের অভিযোগ, লালপুরে উদ্বেগ বেনাপোল বন্দরে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগ, ঢাকায় জব্দ: তদন্তের দাবি আখাউড়ায় ৪ কেজি গাঁজাসহ দুই আসামি গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে হুজরাপুর উৎসব ক্লাবের মশক নিধন কার্যক্রম চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে মদ-সিরাপ জব্দ করেছে ৫৩ বিজিবি

বেনাপোল বন্দরে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগ, ঢাকায় জব্দ: তদন্তের দাবি

মনির হোসেন, বেনাপোল, শার্শা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৫১৫ বার পড়া হয়েছে
dailydinlipi24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের অন্যতম বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই প্রায় ৭ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় কাপড় বের করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকার একটি গুদাম থেকে চোরাচালানের সন্দেহে কাপড় জব্দ করে পুলিশ।

 

 

এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
গত বৃহস্পতিবার বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেড থেকে শাড়ি, থ্রিপিস ও সিনথেটিক কাপড়ের একটি চালানের অংশবিশেষ বের করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই দুই ট্রাক পণ্য বন্দর থেকে বের করা হয়। পণ্যগুলো বের করে দেওয়ার পেছনে কাস্টমস ও বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারও যোগসাজশ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

 

সূত্র জানায়, ভারত থেকে আসা তিন ট্রাক পণ্য বেনাপোল বন্দরের ৪১ নম্বর শেডে খালাস করা হয়। পরে পণ্য পাচারের তথ্য পেয়ে এনএসআই কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে। বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা ঘটনাস্থলে গিয়ে পণ্য আটকের উদ্যোগ নেন। ওই চালান তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানকে।
অভিযোগ রয়েছে, শেডে থাকা চার ট্রাক পণ্যের মধ্যে দুই ট্রাক শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই বের করে নেওয়া হয়। এরপর পণ্যবাহী ট্রাক দুটি আটক করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে শুক্রবার গভীর রাতে পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকার সামাদ প্লাজার নিচে একটি গুদামে অভিযান চালায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ। সেখান থেকে ১২০ বস্তা ভারতীয় কাপড় জব্দ করা হয়। এ সময় সাইফুর রহমান (৩৭), সংগ্রাম হোসেন (৩০) ও বাবু (৩৭) নামে তিনজনকে আটক করা হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা কাপড় জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা এসব কাপড় সংগ্রহ, মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছে।
কাস্টমস কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ
এদিকে পণ্য আটকের ঘটনার দিন বেনাপোল কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞার নেতৃত্বে তদন্ত, গবেষণা ও ব্যবস্থাপনা ইউনিটের (আইআরএম) একটি দল ৪১ নম্বর শেডে যায়। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানকে অনুপস্থিত পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি—এমন অভিযোগের পর যুগ্ম কমিশনারের বিরুদ্ধে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাস্টমসের রাজস্ব ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা কাজ বন্ধ থাকার কথাও জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি জানান, এ বিষয়ে যা বলার, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। অন্যদিকে, যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।
আরও পণ্য জব্দ, তদন্তের দাবি
বন্দরসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, ৪১ নম্বর শেডে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা আরও কয়েক কোটি টাকা মূল্যের পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। গত আট মাসে এই শেড থেকে মিথ্যা ঘোষণা ও জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে কোনো পণ্য বের করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের একটি গোয়েন্দা দল তদন্ত শুরু করেছে বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।

 

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন জানান, নতুন করে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রবিবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বন্দরের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের মতে, বেনাপোল স্থলবন্দরে শুল্ক ফাঁকি ও পণ্য পাচারের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অনিয়মে কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি কোনো কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

তাঁদের দাবি, পণ্য পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না হলে সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থলবন্দরের শৃঙ্খলা ও সুনামও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

 

বেনাপোল বন্দরে ৭ কোটি টাকার পণ্য পাচারের অভিযোগ, ঢাকায় জব্দ: তদন্তের দাবি

আপডেট সময় : ০১:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

দেশের অন্যতম বৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই প্রায় ৭ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় কাপড় বের করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকার একটি গুদাম থেকে চোরাচালানের সন্দেহে কাপড় জব্দ করে পুলিশ।

 

 

এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
গত বৃহস্পতিবার বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেড থেকে শাড়ি, থ্রিপিস ও সিনথেটিক কাপড়ের একটি চালানের অংশবিশেষ বের করে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই দুই ট্রাক পণ্য বন্দর থেকে বের করা হয়। পণ্যগুলো বের করে দেওয়ার পেছনে কাস্টমস ও বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কারও যোগসাজশ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

 

সূত্র জানায়, ভারত থেকে আসা তিন ট্রাক পণ্য বেনাপোল বন্দরের ৪১ নম্বর শেডে খালাস করা হয়। পরে পণ্য পাচারের তথ্য পেয়ে এনএসআই কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে। বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা ঘটনাস্থলে গিয়ে পণ্য আটকের উদ্যোগ নেন। ওই চালান তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানকে।
অভিযোগ রয়েছে, শেডে থাকা চার ট্রাক পণ্যের মধ্যে দুই ট্রাক শুল্ক পরিশোধ ছাড়াই বের করে নেওয়া হয়। এরপর পণ্যবাহী ট্রাক দুটি আটক করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে শুক্রবার গভীর রাতে পুরান ঢাকার ওয়াইজঘাট এলাকার সামাদ প্লাজার নিচে একটি গুদামে অভিযান চালায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ। সেখান থেকে ১২০ বস্তা ভারতীয় কাপড় জব্দ করা হয়। এ সময় সাইফুর রহমান (৩৭), সংগ্রাম হোসেন (৩০) ও বাবু (৩৭) নামে তিনজনকে আটক করা হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা কাপড় জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা এসব কাপড় সংগ্রহ, মজুত ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেছে।
কাস্টমস কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ
এদিকে পণ্য আটকের ঘটনার দিন বেনাপোল কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞার নেতৃত্বে তদন্ত, গবেষণা ও ব্যবস্থাপনা ইউনিটের (আইআরএম) একটি দল ৪১ নম্বর শেডে যায়। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমানকে অনুপস্থিত পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি—এমন অভিযোগের পর যুগ্ম কমিশনারের বিরুদ্ধে তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাস্টমসের রাজস্ব ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা কাজ বন্ধ থাকার কথাও জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন আরমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি। তিনি জানান, এ বিষয়ে যা বলার, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। অন্যদিকে, যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে জানান। অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।
আরও পণ্য জব্দ, তদন্তের দাবি
বন্দরসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, ৪১ নম্বর শেডে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আনা আরও কয়েক কোটি টাকা মূল্যের পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। গত আট মাসে এই শেড থেকে মিথ্যা ঘোষণা ও জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে কোনো পণ্য বের করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের একটি গোয়েন্দা দল তদন্ত শুরু করেছে বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।

 

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন জানান, নতুন করে ওঠা অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রবিবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বন্দরের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন মহলের মতে, বেনাপোল স্থলবন্দরে শুল্ক ফাঁকি ও পণ্য পাচারের অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলা কিংবা অনিয়মে কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি কোনো কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।

তাঁদের দাবি, পণ্য পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা না হলে সরকারের বিপুল রাজস্ব ক্ষতির পাশাপাশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই স্থলবন্দরের শৃঙ্খলা ও সুনামও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।