শৈশবের শিক্ষা ও সংস্কার সারা জীবন পথ দেখায়: এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম
- আপডেট সময় : ০৪:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৫১৮ বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরে গোপালগঞ্জ পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম বর্ষপূর্তি ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
মোঃ মোমিনুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি:
দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, শিক্ষা কেবল সনদ অর্জনের মাধ্যম নয়, বরং একটি জাতির নৈতিক ভিত্তি ও ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রধান শক্তি। শিক্ষার মেরুদণ্ড শক্ত না হলে একসময় জাতি ও সমাজ ভেঙে পড়বে। তাই নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টায় দিনাজপুর সদর উপজেলার কোম্পানি মোড়ে অবস্থিত গোপালগঞ্জ পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম বর্ষপূর্তি ও বাংলাদেশ নন-গভর্নমেন্ট স্কুল বোর্ড সোসাইটি, দিনাজপুরের উদ্যোগে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। স্বাধীনতার পর এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে না পারলে জাতি অনৈতিকতার পথে ধাবিত হবে।”
শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও মূল্যবোধ নিজেদের জীবনে ধারণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংসদ সদস্য বলেন, শৈশবে অর্জিত শিক্ষা ও সংস্কার মানুষকে সারা জীবন পথ দেখায়। তাই মেধার যথাযথ মূল্যায়নের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গঠনমূলক ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানের তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এটি শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং অন্তরের গভীর থেকে উঠে আসা বাস্তবতার নাম। সেই বাস্তবতাকে দৃশ্যমান করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি গোপালগঞ্জ পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোঃ সোহেল রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন শরিফ এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ।
প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নূরে জান্নাতি ফেরদৌসীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন চেহেলগাজী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ আমির আলী। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা। এ সময় অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ ও উপহার প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকরা। পাশাপাশি প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
দশম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফিতা কেটে এবং কবুতর ও বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে মিলনমেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং পতাকাস্তম্ভের ফলক উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির নেতা মোঃ মামুনুর রশিদ কচি, দিনাজপুর সঙ্গীত ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক রফিকুল ইসলাম পাভেল, কোতোয়ালি স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোস্তফা রিয়াদ আল আরাফাত পান্না, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্য, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, আমন্ত্রিত অতিথি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।



























