জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে ঢাকায় সচেতনতামূলক আলোচনা সভা
- আপডেট সময় : ১১:৪৮:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৫১৬ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন ২২ অক্টোবর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর ডগাইর দারুচ্ছুন্নাত ফাযিল (বি.এ) মাদরাসায় সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেল, ইকুরিয়া, ঢাকার উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বিআরটিএ সদর কার্যালয়ের নির্দেশনায় গৃহীত মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য— “নিরাপদ সড়ক সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”।
অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসেন, বিআরটিএ ঢাকা মেট্রো-২ সার্কেলের উপপরিচালক (ইঞ্জি.) সৈয়দ আইনুল হুদা চৌধুরী, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) মো. জাহাঙ্গীর আলম, মোটরযান পরিদর্শক মো. নাসিম হায়দার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মনীর আহম্মদ, মাদরাসার অধ্যক্ষ ও পরিচালনা কমিটির শিক্ষকরা সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
বক্তারা বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন বা আইন প্রয়োগের বিষয় নয়; বরং ব্যক্তিগত সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বিত প্রয়াস। শিক্ষার্থীদের এখন থেকেই ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। আজকের সচেতন শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দায়িত্বশীল চালক, যাত্রী ও পথচারী।
আলোচনা সভায় নিরাপদে রাস্তা পারাপার, ফুটপাত ও জেব্রা ক্রসিংয়ের সঠিক ব্যবহার, ট্রাফিক সিগন্যাল ও সড়কচিহ্ন মেনে চলা, গণপরিবহনে যাত্রীদের করণীয় এবং সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে চালক ও পথচারীদের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক লিফলেট, প্রসপেক্টাস ও ট্রাফিক সাইনসংক্রান্ত সচেতনতামূলক উপকরণ বিতরণ করা হয়। শিক্ষার্থীদের জন্য নাশতারও ব্যবস্থা করা হয়।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
আলোচনা সভায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নিজের পাশাপাশি অন্যের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।



























