সংবাদ শিরোনাম :
দুই লাইনের কবিতায় জীবনবোধ, ‘এক পলকের কাব্য’ সিজন টু অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পাশে মোটরসাইকেল চুরি, থানায় অভিযোগ তিতাসে বন্দরামপুর আদর্শ একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত টেকনাফে ইভটিজিংয়ের দায়ে রোহিঙ্গা যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের নবনির্মিত প্রধান ফটক উদ্বোধন করলেন এমপি মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু দুর্গাপূজায় টানা ৮ দিন বন্ধ বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানি গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ চান্দিনায় পুবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা বীরগঞ্জে ভ্যানচালকের বসতবাড়ি উচ্ছেদ, জমিতে পুকুর খনন ইসলামী ব্যাংকের প্রশাসককে অপদস্থের অভিযোগ, ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ ব্যাংক

দুই লাইনের কবিতায় জীবনবোধ, ‘এক পলকের কাব্য’ সিজন টু অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৫৩৬ বার পড়া হয়েছে
dailydinlipi24.com অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অল্প শব্দে গভীর অনুভূতি প্রকাশের ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘এক পলকের কাব্য’ সিজন টু অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, রাজধানীর জাগ্রত কনফারেন্স হলে জাগ্রত সাহিত্য পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে এ সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

 

এবারের আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৩০০ জন কবি তাঁদের কবিতা জমা দিয়ে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রধান অতিথি শাহেদ মুন্তাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক আলো, বাংলাদেশ পোয়েটস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, নাসরিন জেরিন ও প্রখ্যাত ছড়াকার আসলাম সানি।

 

‘এক পলকের কাব্য’ দুই লাইনের একটি বিশেষ কাব্যধারা, যার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম। এ ধারায় প্রতিটি লাইনে সর্বোচ্চ নয়টি শব্দ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। অল্প শব্দের মাধ্যমে প্রেম, বিরহ, জীবনবোধ, দর্শন ও মানবিক অনুভূতি প্রকাশ করাই এ কাব্যধারার মূল বৈশিষ্ট্য।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কবিদের সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করতে কোনো নিবন্ধন ফি ছাড়াই কবিতা জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। চারজন বিচারকের মূল্যায়নে নির্বাচিত ছয়টি শ্রেষ্ঠ কবিতার কবিদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্যান্য অংশগ্রহণকারী কবিদের উৎসাহিত করতে ৫০ জন বা তারও বেশি কবিকে মেডেল দিয়ে সম্মানিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এবারের আসরে শ্রেষ্ঠ কবিতার স্বীকৃতি পেয়েছেন নুরুল হক খান মাস্টার, হাসিনা সুলতানা, রমেন্দ্র হালদার, হাফিজা শাহীন, ফৌজিয়া রুবি ও মো. দেলোয়ার হোসেন।
আয়োজকদের লক্ষ্য, সংক্ষিপ্ত কবিতার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যচর্চায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা এবং প্রতিষ্ঠিত কবিদের পাশাপাশি নতুন লেখকদেরও সৃজনশীলতার বিকাশে উৎসাহিত করা।

 

সাহিত্যসংশ্লিষ্টদের মতে, সময়ের সঙ্গে পাঠাভ্যাসের পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ‘এক পলকের কাব্য’র মতো উদ্যোগ কবিতাকে আরও সহজলভ্য করে তুলতে পারে। মাত্র দুটি লাইনে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এই প্রয়াস বাংলা সাহিত্যে সংক্ষিপ্ত কবিতার চর্চাকে আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।

 

ট্যাগস :

দুই লাইনের কবিতায় জীবনবোধ, ‘এক পলকের কাব্য’ সিজন টু অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৫:৩১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

অল্প শব্দে গভীর অনুভূতি প্রকাশের ব্যতিক্রমী আয়োজন ‘এক পলকের কাব্য’ সিজন টু অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার, রাজধানীর জাগ্রত কনফারেন্স হলে জাগ্রত সাহিত্য পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে এ সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

 

এবারের আয়োজনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৩০০ জন কবি তাঁদের কবিতা জমা দিয়ে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন প্রধান অতিথি শাহেদ মুন্তাজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক আলো, বাংলাদেশ পোয়েটস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, নাসরিন জেরিন ও প্রখ্যাত ছড়াকার আসলাম সানি।

 

‘এক পলকের কাব্য’ দুই লাইনের একটি বিশেষ কাব্যধারা, যার প্রবর্তক শিহাব রিফাত আলম। এ ধারায় প্রতিটি লাইনে সর্বোচ্চ নয়টি শব্দ ব্যবহারের নিয়ম রয়েছে। অল্প শব্দের মাধ্যমে প্রেম, বিরহ, জীবনবোধ, দর্শন ও মানবিক অনুভূতি প্রকাশ করাই এ কাব্যধারার মূল বৈশিষ্ট্য।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কবিদের সাহিত্যচর্চায় উৎসাহিত করতে কোনো নিবন্ধন ফি ছাড়াই কবিতা জমা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। চারজন বিচারকের মূল্যায়নে নির্বাচিত ছয়টি শ্রেষ্ঠ কবিতার কবিদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্যান্য অংশগ্রহণকারী কবিদের উৎসাহিত করতে ৫০ জন বা তারও বেশি কবিকে মেডেল দিয়ে সম্মানিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এবারের আসরে শ্রেষ্ঠ কবিতার স্বীকৃতি পেয়েছেন নুরুল হক খান মাস্টার, হাসিনা সুলতানা, রমেন্দ্র হালদার, হাফিজা শাহীন, ফৌজিয়া রুবি ও মো. দেলোয়ার হোসেন।
আয়োজকদের লক্ষ্য, সংক্ষিপ্ত কবিতার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যচর্চায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা এবং প্রতিষ্ঠিত কবিদের পাশাপাশি নতুন লেখকদেরও সৃজনশীলতার বিকাশে উৎসাহিত করা।

 

সাহিত্যসংশ্লিষ্টদের মতে, সময়ের সঙ্গে পাঠাভ্যাসের পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ‘এক পলকের কাব্য’র মতো উদ্যোগ কবিতাকে আরও সহজলভ্য করে তুলতে পারে। মাত্র দুটি লাইনে গভীর অনুভূতি প্রকাশের এই প্রয়াস বাংলা সাহিত্যে সংক্ষিপ্ত কবিতার চর্চাকে আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা তৈরি করছে।